সাংবিধানিক সঙ্কট না পালে বাঘ?

১৯৯৩ সালের কোন একদিন কলকাতার তিলজলা এলাকায় ঢুকে পাঞ্জাব পুলিশ এক দম্পতিকে গুলি করে মারে এবং তাদের মৃতদেহ নিয়ে প্রস্থান করে। ঐ দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তারা নাকি খালিস্তানি জঙ্গি। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর প্রচুর আলোড়ন হয়। অতঃপর আমৃত্যু মার্কসবাদী, প্রাক্তন সি পি আই (এম) নেতা এবং বামফ্রন্ট সরকারের একদা অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র সংবাদ প্রতিদিন কাগজে তাঁর কলামে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। লেখাটার শিরোনাম ছিল ‘সবার উপরে পঞ্জাব পুলিশ সত্য?’ সেই লেখা থেকে ঈষৎ দীর্ঘ উদ্ধৃতি এখানে প্রাসঙ্গিক:

স্বাধীনতার পর প্রচুর ঢক্কানিনাদ সহকারে ১৯৪৯ সালে একটি সংবিধান রচনা করা হয়েছিলো, সেই সংবিধানের অনুশাসনে আমাদের রাষ্ট্রব্যবস্থা নাকি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। সংবিধানে সুস্পষ্ট নির্দেশ যে-কোনো রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সার্বিক দায়িত্ব ঐ-রাজ্যের সরকারের, কেন্দ্রীয় সরকারেরও না, অন্য-কোনো রাজ্যের সরকারের তো না-ই। রাজ্য সরকারের অনুমতি না নিয়ে এমনকী কোন কেন্দ্রীয় বাহিনীরও কোনো উপলক্ষ্যেই রাজ্যে অনুপ্রবেশের অধিকার নেই। মাত্র একটি অবস্থায় এই রীতির ব্যত্যয় হতে পারে: কেন্দ্রীয় সন্ত্রাসদমন ও অশান্ত অঞ্চল আইন যদি একটি রাজ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হ’য়ে থাকে, তা’হলে। কিন্তু এই আইনের ধারাবলে এক রাজ্যের পুলিশ অন্য রাজ্যে ঢুকে যেতে পারে না, ঐ আইন কোনো রাজ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হ’লে একমাত্র কেন্দ্রীয় পুলিশ বা প্রতিরক্ষা বাহিনীই রাজ্য সরকারের অনুমতি ছাড়াই কোনো রাজ্যে ঢুকে গিয়ে নিজেদের ইচ্ছানুযায়ী আইনশৃঙ্খলার টহলদারীর ব্যবস্থা করতে পারে।

গতকাল সন্ধ্যা থেকে কলকাতার নগরপালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা নিয়ে যে অভূতপূর্ব পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে তা নিয়ে যে কোন আলোচনায় উপর্যুক্ত কথাগুলো মনে রাখা দরকার, যদিও ১৯৯৩ এর ঘটনার সাথে রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আছে তার অনেক তফাত।
আইন অনুযায়ী কোন আইন এমনভাবে প্রয়োগ করা যায় না বা এমন কোন আইন প্রণয়ন করাও যায় না যা সংবিধানের যা বিরুদ্ধে যায়। এখন কথা হচ্ছে সিবিআই কোন আইন অনুযায়ী সারদা কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে? মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট তাদের তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন তাই তারা তদন্ত করছে — এই উত্তরটা অসম্পূর্ণ। কারণ সুপ্রিম কোর্টও আইনের ঊর্ধ্বে নন। স্বয়ং প্রধান বিচারপতিকেও রায় দিতে হয় দেশের আইন মেনেই, তিনি নতুন আইন প্রণয়ন করতে পারেন না। সুপ্রিম কোর্ট যে সিবিআই বা কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোকে আব্দুল মান্নানের দায়ের করা মামলার তদন্তভার দিয়েছেন সেটাও আইনমাফিক। কী সে আইন যার বলে সিবিআই একটা অঙ্গরাজ্যের ঘটনার তদন্ত করতে পারে?
আইনটা হল The Delhi Special Police Establishment Act, 1946. গত ২৫শে নভেম্বর, ২০১৪ তারিখে এই আইনেরই একটি সংশোধনী বিল লোকসভায় পেশ হয়, যার ফলে সিবিআই অধিকর্তা বেছে নেওয়ার জন্যে তিন সদস্যের কমিশন গঠন হয়। সেই কমিশনের সদস্য প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বা তাঁর মনোনীত কোন বিচারপতি। মূল আইনের ছ নম্বর ধারায় কিন্তু বলা আছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বা রেল বিভাগের এলাকায় এই কেন্দ্রীয় পুলিশকে তদন্ত করতে পারে কিন্তু কোন অঙ্গরাজ্যে তদন্ত করতে হলে রাজ্য সরকারের সম্মতি প্রয়োজন।
তাহলে সিবিআই সারা দেশে এত অভিযোগের তদন্ত করে কী করে? করতে পারে কারণ সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার সম্মতি দেয়। সেই সম্মতির পোশাকি নাম general consent. পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এই general consent দিয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার, ১৯৮৯ সালে। কে জানে কী আঁচ করে গত নভেম্বরে প্রথমে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, এবং তারপর আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় general consent প্রত্যাহার করে নেন৷ অর্থাৎ এর পর থেকে এ রাজ্যের কোন কেসের তদন্ত করতে হলে সিবিআইকে প্রত্যেক কেসের জন্যে আলাদা করে তদন্তের অনুমতি চাইতে হবে।
কিন্তু এই সম্মতি প্রত্যাহার করে নেওয়ার সময়ে সম্ভবত দিদির খেয়াল ছিল না যে ইতিমধ্যেই চালু হয়ে যাওয়া কেসে এর কোন প্রভাব পড়বে না।
এই আইনী জটিলতা নিয়ে আমরা আমাদের মাথার সব চুল ছেঁড়ার সময় অবশ্য পাব না। আজই সিবিআইয়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে মহামান্য প্রধান বিচারপতি গোগোই বসেছিলেন। সলিসিটর জেনারেলকে (অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকারের কৌঁসুলিকে) মৃদু ধমক দিয়ে বলেছেন, আপনাদের কাছে এমন কোন প্রমাণই নেই যা থেকে বোঝা যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার বা পুলিশ প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা করছে। একটা প্রমাণ দেখান যে সেই চেষ্টা করছে বা করার কথা ভাবছে। এদের এমন শিক্ষা দেব যে আফশোসের শেষ থাকবে না।
মহামান্য আদালত আবার কালই বসছেন। ফলত খুব শিগগির আমরা জেনে যাব কোন পক্ষ আইনভঙ্গ করেছে? রাজ্য সরকারের পুলিশকে না জানিয়ে অসাংবিধানিকভাবে, কোন ওয়ারেন্ট ছাড়াই সিবিআই কলকাতার নগরপালকে ধমকাতে গিয়েছিল? নাকি নগরপালই তদন্তে অসহযোগিতা করে নিয়ম ভাঙছিলেন, এবং সিবিআই সব আইনকানুন মেনেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়েছিল?
আইনী মীমাংসা তো নাহয় মহামান্য প্রধান বিচারপতি করে দেবেন, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ধর্না কতদিন চলবে? কার বিরুদ্ধে এই ধর্না? এসব প্রশ্নের উত্তর কে দেবে? গতকাল নগরপালের বাড়ির সামনে মোদীর বিরিদ্ধে সংবিধানের পিণ্ডি চটকানোর অভিযোগ করে যখন ধর্নায় বসেছেন, তখন ধরে নেওয়া যায় ধর্না কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। তা সেই ধর্না দিল্লীর ৭, রেসকোর্স রোডে না হয়ে কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে কেন?
যে ৩৫৬ র জুজু কেন্দ্রীয় সরকার দেখাচ্ছে বলে কাল মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করছিলেন বা স্টুডিওতে বিজেপি নেতারা হুমকি দিচ্ছিলেন, তা যদি সত্যি হয় তাহলে নিঃসন্দেহে মমতা ঠিকই করেছেন। তাঁর সরকারকে যদি কাজ করতে না দেওয়া হয়, নিশ্চয়ই তাঁর অধিকার আছে পথে নেমে আসার। কিন্তু চব্বিশ ঘন্টা হতে চলল, রাজ্যপাল চুপ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক চুপ। জুজুটা গেল কোথায়? তাহলে কি কাল সন্ধ্যের অতি তৎপরতা এবং ধর্না শেক্সপিয়রের ভাষায় “much ado about nothing”?
এতগুলো প্রশ্নের পরে আরো একটা প্রশ্ন আসে। সিবিআই তো বলছে তারা শুধু জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। তাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আপত্তি কেন? এ কি সেই ঠাকুরঘরে কে জিজ্ঞেস করায় “আমি কলা খাইনি” উত্তর আসার মত ব্যাপার?
বিঃ দ্রঃ সংবিধানের ৩৫৬ ধারার কথা উঠতে মনে পড়ল, তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করার পর একটা নির্বাচনে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর দলের প্রাপ্ত ভোট ছিল শতাংশের হিসাবে ৩.৫৬। তিনি তৎকালীন রাজ্য সরকারকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ভোটের শতাংশটা খেয়াল রাখবেন। বাড়াবাড়ি করলে পশ্চিমবঙ্গের ঐ অবস্থাই হবে।
ধন্য আশা কুহকিনী।

Published by

Pratik

Blogger and poet. Isn't that enough?

2 thoughts on “সাংবিধানিক সঙ্কট না পালে বাঘ?”

  1. মিথ্যে মামলায় আর কত জাহালমকে ফাঁসানো হবে
    মুহাম্মদ বিন ওয়াহিদ
    গত ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ এ দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়,
    ‘স্যার,আমি জাহালম, সালেক না’।
    জাহালমের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের সাড়ে ১৮ কোটি টাকা আত্মসাতের দুদক(দুর্নীতি
    দমন কমিশন)কর্তৃক অভিযোগ আনা হয়েছিল এবং ৩৩ টি মামলা দায়ের করে দুদক। এরপরে
    পুলিশ জাহালমকে গ্রেপ্তার করে। অথচ, জাহালম ছিল সম্পূর্ণ নির্দোষ। অসহায় আর
    হতদরিদ্র পাটকল শ্রমিক হয়েও আবু সালেকের বিরুদ্ধে ১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের
    অভিযোগে জাহালমকে জেল খাটতে হয় টানা তিনবছর। জাহালম পুলিশের কাছে, নিম্ন ও
    উচ্চ আদালতের বিচারকদের কাছে বারবার বলেছে, ‘স্যার,আমি জাহালম, আবু সালেক না’।
    তবুও তার কথা আমলে নেওয়া হয় নি।
    শেষমেশ দুদক জানায় জাহালম নির্দোষী। এই বিষয়টা প্রমাণিত হয়েছে। একই মত প্রকাশ
    করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও।
    এরপরে ৩ফেব্রুয়ারি অবসান হয় জাহালমের এক করুণ অধ্যায়ের। কাশেমপুর কারাগার থেকে
    মুক্তি দেওয়া হয় তাকে।
    এই এক জাহালম তো ফিরলেন, কিন্তু গায়েবি মামলা, খুন,গুম এবং অপহরণের শিকার শত
    জাহালম তো এখনও ফেরেননি। যেমন ফিরতে পারবেন না কক্সবাজারের সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ
    কমিশনার একরাম।
    প্রথম আলোর বর্তমান সহকারী সম্পাদক শ্রদ্ধেয় ফারুক ওয়াসিফ শুধুমাত্র ছাত্র
    আন্দোলন করার দায়ে কারাভোগ করেন দীর্ঘদিন। খোঁজ নিলে জানা যায়, বিনা বিচারে
    বচরের পর ঝুলে থাকা নিঃশেষিত মানুষদের খবর।কত নিরপরাধী কারাগারের দেয়ালে মাথা
    ঠুকছেন। নিজের কপালের রক্ত নিজে ঝরাচ্ছেন ;শুধু এই দুঃখে যে,একজন নিরপরাধী
    হয়েও তাকে অপরাধীর কাতারে দাঁড়াতে হচ্ছে।
    ফারুক ওয়াসিফ জানান, তিনি একদল রিকশা চালককে পেয়েছিলেন জেলখানায়। যাদেরকে
    পুলিশের গণগ্রেপ্তার অভিযানে গাইবান্ধা থেকে ধরে আনা হয়েছিল।তখনও মানুষের হাতে
    মোবাইল-ফোন ওভাবে আসেনি। রিকশাচালকগুলো ছিল গরিবস্য গরীব। জেলখেটে নিঃশেষ হয়ে
    যাওয়া ছাড়া তাদের আর কোন উপায় ছিল না। কে তাদের পরিবারদের খবর দেবে? কে তাদের
    জন্য উকিলের ব্যবস্থা করবে? মামলা চালিয়ে নেওয়ার জন্য অর্থের যোগানই বা তারা
    কোত্থেকে দিবে?
    বিনা অপরাধে কেউ জেল না খাটলে জাহালম আর ওই রিকশা চালকদের দুঃখ বুঝবে না।
    বুঝবে না কারাভোগের দিনগুলো তাদের জীবন বাঁচানোর যুদ্ধে কতটা মূল্যবান ছিল।
    মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল কয়েকদিন আগে বলেছেন, দেশের জেলখানাগুলোতে
    দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বিনা বিচারে আটক আছে।
    সুনামগঞ্জের তারা মিয়ার নাম আমরা পত্রপত্রিকায় অনেক পড়েছি। সে ছিল শারীরিক
    প্রতিবন্ধী। তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল নাশকতার মামলা।টানা ৪২ দিন কারাভোগের পর
    তারা মিয়ার মুক্তি মিললেও মোহাম্মদপুরের আতর-দোকানি হাতকাটা ইউসুফের খবর পাওয়া
    যায়নি আজও।
    কোট-কাচারিতে ভিড় করছে শতশত মানুষ। তাদের বেশিরভাগই হচ্ছে দিনমজুর খাটা
    গ্রামের গরীব মানুষ। তাদের বিরুদ্ধে ঠুকে দেওয়া হয়েছে গায়েবি মামলা।
    প্রথম আলোর এক রিপোর্টে ওঠে আসে, গতবছরের সেপ্টেম্বর থেকে দেড় মাসে সারা দেশে
    ৪ হাজার ১৮২ টি গায়েবি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় ফাঁসানো হয়েছে ৮৮ হাজার
    নাগরিকদেরকে।
    এই হচ্ছে আমাদের দেশের অবস্থা। দেশের সংবাদকর্মী এবং মানবাধিকারকর্মীদের
    জেলখানায় যাওয়ার সুযোগ আছে। তারা বিশ্লেষণ করার সুযোগ পান।তারা দয়াকরে
    আমাদেরকে কি বলবেন, দেশের জেলখানাভর্তি কয়েদিদের মধ্যে কতজন সত্যিকারেই
    অপরাধী?কারা বিনা বিচারে পঁচে-গলে নিঃশেষ হচ্ছেন জেলখানায়? এরাও আমাদের দেশের
    নাগরিক।এরাও সঠিক বিচার পাওয়ার হকদার। এদেরও ছেলে-সন্তান আছে। এদেরও স্বপ্ন
    দেখার অধিকার আছে। এদেরও পরিবার-পরিজন নিয়ে একটু সুখে দিনাতিপাত করার
    আকাঙ্ক্ষা আছে। তাহলে কেন তাদের আজকে এই অবস্থা? অন্যের ভুলের মাশুল তাদের কেন
    গুনতে হবে? এর দায়ভার কার? এসবের পেছনে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কোনো
    কুচক্রীমহল কলকাঠি নাড়ছে নাতো?
    যারা বিচারকার্য সম্পন্ন করেন, যারা দুর্নীতি দমন কমিশনের ব্যানারে কাজ করেন,
    তাঁরা দয়াকরে একটু হুশিয়ার এবং সোচ্চার হোন। আপনার একটি ভুল অভিযোগ এবং একটি
    ভুল সিদ্ধান্তের কারণে যেন আর কোনও জাহালমের হাহাকার করতে না হয়!
    সম্পাদক
    ঈষাণ
    muhammadbinwahid56@gmail.com
    সোম, 4 ফেব্রুয়ারী, 2019 4:46 PM amarlikhon তারিখে amarlikhon posted: ” ১৯৯৩ সালের কোন একদিন কলকাতার তিলজলা এলাকায় ঢুকে
    > পাঞ্জাব পুলিশ এক দম্পতিকে গুলি করে মারে এবং তাদের মৃতদেহ নিয়ে প্রস্থান করে।
    > ঐ দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তারা নাকি খালিস্তানি জঙ্গি। এই ঘটনা জানাজানি
    > হওয়ার পর প্রচুর আলোড়ন হয়। অতঃপর আমৃত্যু মার্কসবাদী, প্”
    >

Leave a Reply