প্রখর তপন তাপে পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থা কাঁপে

হুগলি জেলায় বসে এই লেখা শুরু করার সময়ে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়ে দিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। সেইসঙ্গে কমবে তাপমাত্রা, তাপপ্রবাহও স্তিমিত হবে। সত্যি কথা বলতে, এমনটা যে হবে তা আলিপুর কদিন ধরেই বলছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষার যাঁরা ভাগ্যনিয়ন্তা তাঁরা হয় আবহাওয়াবিদ্যার উপর জ্যোতিষশাস্ত্রের চেয়ে বেশি ভরসা করেন না, অথবা কোনো কারণে স্কুলগুলোকে বন্ধ করে দেওয়ার ভীষণ তাড়া ছিল। নইলে ২৭ এপ্রিল (বুধবার) নবান্নে তাপপ্রবাহ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পরেই ২ মে (সোমবার) থেকে গরমের ছুটি শুরু করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কোনো ব্যাখ্যা হয় না।

গত কয়েক দিনে শিক্ষামন্ত্রকের দুটো সিদ্ধান্ত খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে। প্রথমটা গরমের ছুটি এগিয়ে আনা, দ্বিতীয়টা কলেজে ভর্তি কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে করা। কয়েক বছর আগে পশ্চিমবঙ্গে উচ্চমাধ্যমিকের ফল বেরোবার পর কলেজে ভর্তি নিয়ে চমকপ্রদ সব কাণ্ড হয়েছিল। পরীক্ষায় যত নম্বরই পান না কেন, তৃণমূল ছাত্র পরিষদকে মোটা টাকা প্রণামী না দিলে কলেজে ভর্তি হওয়া যাচ্ছে না – এমন অভিযোগ উঠেছিল। পছন্দের বিষয়ে অনার্স নিতে গেলে কোথাও কোথাও ৪০-৫০ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে, এমনও শোনা যাচ্ছিল। তারপর চালু হয় কলেজের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভর্তি। কারণ এ দেশে গত দুই দশকে দুর্নীতির একমাত্র সমাধান হিসাবে জনপ্রিয় হয়েছে অনলাইন ব্যবস্থা, সে ব্যবস্থা সকলের নাগালের মধ্যে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করলে লোকে বোকা এবং সেকেলে বলে। কিন্তু বোধহয় সে ব্যবস্থাও দুর্নীতিমুক্ত করা যায়নি, তাই এবার সোজা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভর্তি হবে শোনা যাচ্ছে। যতক্ষণ না ব্যাপারটা চালু হচ্ছে ততক্ষণ এর অসুবিধাগুলো জানা যাবে না। ফলে এই মুহূর্তে ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকা সকলেই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন। তাই সংবাদমাধ্যমেও তাঁদের প্রতিক্রিয়াগুলো ঘটা করে উপস্থাপন করা হচ্ছে। মজার কথা, গরমের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁরা কী ভাবছেন তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের উৎসাহ তুলনায় কম। কারণটা সোশাল মিডিয়া দেখলেই দিব্যি টের পাওয়া যাচ্ছে। এই সিদ্ধান্তে পুরোপুরি খুশি হয়েছেন এমন কাউকে দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে। বলা বাহুল্য, অফলাইন প্রতিক্রিয়াও খুব আলাদা হবে না। পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম অত্যন্ত সাবধানী। প্রতিবেদনের শেষ প্যারায় “অমুক শিক্ষক সংগঠন বলেছে এতে তমুক অসুবিধা হবে। কিন্তু তমুক শিক্ষক সংগঠন এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে” লিখেই ক্ষান্ত দিচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গে এমনিতে শিক্ষাবিদের ছড়াছড়ি। অনেকে এত বিদ্বান যে শিক্ষা ছাড়াও নাটক, সিনেমা, সঙ্গীত, রাজনীতি ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত খবরের কাগজের উত্তর-সম্পাদকীয় স্তম্ভে লিখে থাকেন। কারো কারো মতে এ রাজ্যের সাধারণ মানুষ কাকে ভোট দেবেন তা-ও এঁরা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। অথচ কোভিডের প্রতাপে প্রায় দু বছর বন্ধ থাকার পর খোলা স্কুল, কলেজ ফের টানা দেড় মাসের জন্য বন্ধ হয়ে গেল – এ নিয়ে শিক্ষাবিদদের কোনো দুশ্চিন্তা নেই।

কিছু বামপন্থী ছাত্র সংগঠন কয়েক মাস আগে পথে নেমেছিল স্কুল, কলেজ অবিলম্বে খোলার দাবিতে। যখন খুলে গেল, তখন একে আন্দোলনের সাফল্য বলেও সোচ্চারে দাবি করেছিল। এখন পর্যন্ত তারাও চুপ। পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক সংগঠনগুলোর কী অবস্থা তা নিয়োগ থেকে বদলি – সব ক্ষেত্রে শোষিত মাস্টারমশাই, দিদিমণিদের একলা লড়াই বা অস্থায়ী অরাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি করে লড়াই করা দেখলেই টের পাওয়া যায়। যে নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতি বাম আমলে এমন দোর্দণ্ডপ্রতাপ ছিল যে অর্থমন্ত্রী অসীম দাশগুপ্ত বাজেট বক্তৃতায় সরকারি বেতন পাওয়া মাস্টারদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করার নিদান দিয়েও পরে পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন, সেই সমিতির অস্তিত্ব এখন টের পাওয়া যায় কেবল সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিবৃতি থেকে। তা সেই সমিতি বলেছে আপাতত সাতদিনের ছুটি দিয়ে পরীক্ষা ইত্যাদি আশু কাজগুলো শেষ করে নিয়ে তারপর ছুটি দিলে ভাল হত। আরও দু-একটি শিক্ষক সংগঠন ক্ষীণ স্বরে এরকম নানা পরামর্শ দিয়েছে। মমতা ব্যানার্জির সে পরামর্শ শুনতে বয়ে গেছে। তিনি অবিসংবাদী জননেত্রী, তিনি যখন মনে করেছেন এই গরমে স্কুল করা যায় না, তখন যায় না।

গত বছর অতিমারীর কারণে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হয়নি। এ বছরের মাধ্যমিক শেষ করা গেছে, উচ্চমাধ্যমিকেরও লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে নবান্নের সভার দিন। কিন্তু একাদশ শ্রেণির প্র্যাকটিকাল পরীক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শুরু হওয়ার কথা ছিল আজ থেকে। সরকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়ে সেসব মাথায় রাখার প্রয়োজন বোধ করেনি। স্কুলের পরীক্ষা আর বোর্ডের পরীক্ষা গুরুত্বের দিক থেকে এক নয় – এমনটা ভাববার কী-ই বা দরকার? ঠিক দুটো অনুচ্ছেদের সরকারি নির্দেশে ছুটির সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাতিল পরীক্ষাগুলো কবে হবে না হবে তা নিয়ে একটা শব্দও খরচ করা হয়নি। ক্লাস ফাইভ থেকে টেন পর্যন্ত ছেলেমেয়েদের এই শিক্ষাবর্ষের প্রথম সামেটিভ পরীক্ষা ৭ মের মধ্যে শেষ করতে হবে – সরকারি নির্দেশ ছিল। সে নির্দেশও চোখের পলকে বাতিল হল। মানে যে ছেলেমেয়েরা কোনো পরীক্ষার মুখোমুখি হয়নি সেই ২০২০ সাল থেকে, তাদের প্রথম পরীক্ষাটাও বাতিল হল। নিজের নির্দেশ বাজে কাগজের ঝুড়িতে ফেলে দিল সরকার নিজেই। এসব অবশ্য ইদানীং প্রায়ই হয়। এমনকি আগের নির্দেশের সাথে পরের নির্দেশের সাযুজ্য বজায় রাখার প্রয়োজনও বোধ করে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অনেকসময় সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী যা বলেন, কয়েক ঘন্টা পরের সরকারি সার্কুলারেই তা বেশ খানিকটা বদলে যায়।

যাক সে কথা। লক্ষ করার মত বিষয় হল, এই হঠাৎ ছুটিতে পড়াশোনার যে ক্ষতি হবে সরকার তা বোঝে না এমন নয়। বোঝে বলেই বলা হয়েছে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস চলতে পারে। এমনিতেই বহু বেসরকারি স্কুল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশ মেনে গরমের ছুটি শুরু করছে না বলে জানিয়েছে। তারা কেউ কেউ অত্যধিক গরমের কারণে অনলাইন ক্লাস নেবে। আইসিএসই, সিবিএসই-র অধীন স্কুলগুলোর পরীক্ষাও চলবে। তার মানে দেড় মাস লেখাপড়া বন্ধ থাকবে শুধু পশ্চিমবঙ্গের সরকারি এবং সরকারপোষিত স্কুলগুলোর ছাত্রছাত্রীদের। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়েও যাদের পক্ষে অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব নয় তারা বঞ্চিত হবে। সুতরাং অতিমারীর সময়ে যে ডিজিটাল বিভাজন শুরু হয়েছিল, সরকার জেনেশুনে তা বাড়িয়ে তুললেন।

ক্ষুব্ধ অভিভাবকদের অনলাইন এবং অফলাইন প্রতিক্রিয়ায় দেখা যাচ্ছে, তাঁরা যথারীতি স্কুলশিক্ষকদের সৌভাগ্যে বিরক্ত ও ঈর্ষান্বিত। “এরা আর কত ছুটি খাবে” জাতীয় মন্তব্য ছুড়ে দেওয়া চলছে। তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগের অভাবে যতগুলো ক্লাস নেওয়ার কথা, যতগুলো খাতা দেখার কথা তার চেয়ে অনেক বেশি কাজ করতে হয় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। উপরন্তু সরকার নাগরিকদের শ্রীবৃদ্ধির যতরকম পরিকল্পনা নিয়েছেন সেসবের দায়িত্বও তাঁদেরই ঘাড়ে। গত কয়েক বছর প্রবল গরমে যতবার সরকার গ্রীষ্মাবকাশ বাড়িয়েছেন, ততবার নির্দিষ্ট করে বলে দিয়েছেন, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কিন্তু স্কুলে যেতে হবে। অর্থাৎ গরমে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন না। এতৎসত্ত্বেও রাজ্যসুদ্ধ বাবা-মা ভাবছেন “এরা আর কত ছুটি খাবে”। অথচ অধিকাংশ মাস্টারমশাই, দিদিমণি এই ছুটি চান না – লেখাপড়ার ক্ষতির কথা ভেবে তো বটেই, তাঁরা যে ক্রমশই গণশত্রু বলে প্রতিপন্ন হচ্ছেন সেই দুশ্চিন্তাতেও। চিন্তাটা অমূলক নয়। এই প্রখর তপন তাপে সরকারের সামনে আর কোন পথ খোলা ছিল, সে আলোচনা করতে গিয়ে যেসব বিকল্পের কথা বলছেন অনেকে, তা থেকে রাজ্যের স্কুলগুলো কী অবস্থায় আছে সে সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণার অভাব এবং সে কারণে মাস্টাররা মহা সুখে আছেন – এই ধারণার প্রাধান্য প্রকট হচ্ছে।

যেমন অনেকেই সকালে স্কুল করার কথা বলছেন। এঁরা সম্ভবত জানেন না, স্কুল সার্ভিস কমিশন চালু হওয়ার পর থেকে রাজ্যের স্কুলগুলোতে স্থানীয় শিক্ষক-শিক্ষিকার পরিমাণ অনেক কমে গেছে। অনেকেই স্কুলে আসেন ৩০-৪০ কিলোমিটার বা তারও বেশি দূর থেকে ট্রেন, বাস, আরও নানারকম যানবাহনে। সম্প্রতি উৎসশ্রী নামে বদলির যে প্রকল্প চালু হয়েছে তাতে ইতিমধ্যেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, মামলাও চলছে। ফলে সে সুবিধা নেওয়ার সুযোগ মোটেই খুব বেশি মানুষের হয়নি। হয়ত কোনো স্কুলে ৫০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা, উৎসশ্রীর সুবিধা নিয়ে এসেছেন জনা চারেক। সঙ্গে আরও জনা পাঁচেক স্থানীয় শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকা সম্ভব। পঞ্চাশ জনের ক্লাস যদি এই জনা দশেককে নিতে হয় সকালের স্কুলে, তাহলে কেমন পড়াশোনা হবে? নাকি দূর থেকে আসা মাস্টারদের স্কুলেই রাত কাটানোর দাবি করা হচ্ছে? মুখ্যমন্ত্রীর মর্জিই যেখানে আইন সেখানে অদূর ভবিষ্যতে হয়ত এমন নিয়মও হতে পারে। তখন মাস্টাররা কেমন টাইট হল তা দেখে অন্য পেশার লোকেরা প্রভূত আনন্দ পাবেন।

আসলে একটা তৈরি করা সমস্যার সমাধান খুঁজে চলেছি আমরা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এবার গ্রীষ্মে একদিনও কালবৈশাখী হয়নি দক্ষিণবঙ্গে, তাপমাত্রা চল্লিশ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে কোথাও কোথাও। কিন্তু এমন তো নয় যে পশ্চিমবঙ্গ ছিল শীতের দেশ, বিশ্ব উষ্ণায়ন জায়গাটাকে রাতারাতি থর মুরুভূমি করে তুলেছে। পশ্চিমবঙ্গে গরম চিরকালই পড়ত, কিন্তু গরমের ছুটি কবে থেকে কবে অব্দি থাকবে সেই সিদ্ধান্তগুলো নিজেদের বিবেচনা অনুযায়ী স্কুল কর্তৃপক্ষই নিতেন। সাধারণত দক্ষিণবঙ্গের স্কুলগুলোতে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে টানা ২০-২৫ দিন ছুটি থাকত, স্কুল খুলতে খুলতে এসে যেত বর্ষা। উত্তরবঙ্গের স্কুলেও স্থানীয় আবহাওয়া বুঝে গরমের ছুটি দেওয়া হত। আর ছুটির দিনক্ষণ শিক্ষাবর্ষের গোড়াতেই ঠিক হয়ে যেত, ফলে পড়াশোনা এবং পরীক্ষার নির্ঘণ্ট রাতারাতি বদলাতে হত না। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষায় দুর্নীতির বিকেন্দ্রীকরণের পাশাপাশি সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত কেন্দ্রীকরণ হয়েছে। কবে পরীক্ষা হবে, কবে ছুটি দেওয়া হবে, ছাত্রছাত্রীদের কী অ্যাক্টিভিটি টাস্ক দেওয়া হবে – সবই ঠিক হয় কেন্দ্রীয়ভাবে। ফলে যথেষ্ট সহনীয় আবহাওয়ার জলপাইগুড়ি জেলার স্কুলের সঙ্গেই ২ মে থেকে ছুটি শুরু হয়ে যাচ্ছে পুরুলিয়া জেলার স্কুলের। পশ্চিমবঙ্গে প্রায় প্রতি বছরই দীর্ঘায়িত হচ্ছে গরমের ছুটি। এগারো বছর কেটে গেল, এখনো গরমের ছুটির দিন নির্দিষ্ট করতে পারল না রাজ্য সরকার।

এতদ্বারা সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলগুলোকে সবদিক থেকে পঙ্গু করে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বেসরকারি শিক্ষার রাস্তা চওড়া করা হচ্ছে কিনা সে প্রশ্নে না গেলেও একটা প্রশ্ন অনিবার্য। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ২০২২ গ্রীষ্মের মত পরিস্থিতি অদূর ভবিষ্যতে তো আরও বাড়বে। তাহলে কি এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীন স্কুলগুলো গরমকালে বন্ধই থাকবে? ভারত তথা পৃথিবীর যে যে অঞ্চলে প্রচণ্ড গরম পড়ে, সেখানকার ছেলেমেয়েরা কি স্কুল যায় না? নাকি রাজ্য সরকার এ ব্যাপারে পথপ্রদর্শক হতে চাইছে?

নাগরিক ডট নেট-এ প্রকাশিত। ছবি ইন্টারনেট থেকে

%d bloggers like this: