শ্রীমালবিজয়: রক্তাক্ত প্রথম উপন্যাসে অকুতোভয় পরীক্ষা

অভিষেক ঝা সম্পাদিত ‘ত্রস্তের শিকড়বাকড়’ নামের সেই সংকলনের পৃষ্ঠ প্রচ্ছদে লেখা হয়েছিল ‘সৃষ্টি ও কৃষ্টির বেলোয়ারী ধারণা, বিবিধের মাঝে মিলনমহান ভারতরাষ্ট্রের সফেদ পোশাকে এই বই হলুদ মূত্রদাগ।’ ভারতেরই আরেক অঞ্চলে স্থাপিত অন্য এক জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে আবর্তিত সিন্ধুর উপন্যাসকেও একই আখ্যা দিলে ভুল হবে না।

উপন্যাসে

একজন বিজ্ঞানী আর একজন সাহিত্যিক – দুজনেই পরীক্ষানিরীক্ষা চালান। তফাত হল, বিজ্ঞানীর পরীক্ষা সফল না ব্যর্থ তা তিনি টের পেয়ে যান হাতেনাতে, স্বীকৃতিও পান অনতিবিলম্বে। সাহিত্যে কোন পরীক্ষা সফল আর কোন পরীক্ষা ব্যর্থ তা ঠিক করে দেবে কে? ফলে সাহিত্যিককে সাফল্যের জন্যে সারাজীবন অপেক্ষা করতে হয়। এমনও হতে পারে, জীবদ্দশায় তাঁকে কেউ সফল বলে মানল না, স্বীকৃতি পেলেন মৃত্যুর পর। জীবনানন্দ দাশ যতই লিখুন ‘মানুষটা মরে গেলে যদি তাঁকে ওষুধের শিশি/কেউ দেয়, বিনি দামে, তাতে কার লাভ…’, সাহিত্যিক মরণোত্তর স্বীকৃতিকে অগ্রাহ্য করতে পারেন না। বিজ্ঞানীর পরীক্ষার পরীক্ষক প্রকৃতি। নম্বর দেন তখনই। সাহিত্যিকের পরীক্ষক কাল। তিনি এক লেখাই বারবার দেখেন। আজ যে লেখায় একশোয় একশো দিলেন, পরে সেই লেখাকে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিতে পারেন। আবার বহুদিন ডাস্টবিনে পড়ে থাকা লেখা তুলে এনে লেটার মার্কস বসিয়ে দিতে পারেন। গ্যালিলিও বা টেস্টটিউব বেবির আবিষ্কারক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের উল্লেখ করে কেউ বলতেই পারেন যে বিজ্ঞানীদেরও সর্বদা স্বীকৃতি জীবদ্দশায় জোটে না। কিন্তু সমকালের স্বীকৃতি না পেলেও, প্রকৃতি যে তাঁকে জয়যুক্ত করেছে তা একজন বিজ্ঞানীর কাছে গোপন থাকে না। তাই তো কথিত আছে, গ্যালিলিও নাকি অর্ধোন্মাদ অবস্থাতেও বলতেন ‘কিন্তু পৃথিবী ঘুরছে’। সাহিত্যিক এই স্বস্তিটুকুও পান না। সুতরাং সিন্ধু সোম তাঁর প্রথম উপন্যাস শ্রীমালবিজয়-এ যে পরীক্ষা চালিয়েছেন, তা সফল না ব্যর্থ সে আলোচনায় যাব না। কিন্তু শুরুতেই বলে নেওয়া যাক, শুধু এই পরীক্ষাটা চালানোর জন্যেই তাঁর প্রশংসা প্রাপ্য। একশো আটান্ন পাতার এই উপন্যাসে লেখক শুধু চরিত্রগুলোর নয়, নিজেরও রক্ত ঝরানোর স্পর্ধা দেখিয়েছেন। নিজের লেখাকে নিজেই বলেছেন ‘একটি আনখাই গদ্যপাঁচালি’।

এই গদ্যপাঁচালির মূল স্পর্ধা গদ্যে। কথক তথাকথিত মান্য বাংলাকে পাত্তা না দিয়ে কখনো লিখেছেন বরাকর উপত্যকার মালদের ভাষায়। ওই স্থানীয় ভাষায় স্বভাবতই মিশেছে ওই এলাকার নানা জনগোষ্ঠীর ভাষা। এ ভাষা পড়তে অপরিচিত পাঠককে প্রথমদিকে হোঁচট খেতে হবে। হোঁচট খেতে খেতে এগোবার উদ্যম থাকলে এই মালভূমির ভূপ্রকৃতি একসময় সড়গড় হয়ে আসবে, পরিচিত সমভূমিতেও গিয়ে পড়বেন একসময়। কিন্তু সেখানে নিয়ে গিয়েও লেখক পাঠককে ভুলতে দেন না আসলে কোন অশান্ত ভূমিতে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন। কথক মাল যুবক তো আর নাগরিক জীবন থেকে বিযুক্ত নয়, তাকে শিল্পী হওয়ার চেষ্টা করতে হয় প্রমিত বাংলা বলা সমাজের মধ্যেই। কোন মানুষের বেড়ে ওঠাই বা একান্ত নিজের জনগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ? তাই তার ভাবনার ভাষায় মিশেই থাকে নিজস্ব ভাষা আর মান্য ভাষা। কিন্তু গোটা উপন্যাসে মান্য ভাষায় লেখা অংশগুলোতেও অন্তত সমাপিকা ক্রিয়ার ব্যবহারে লেখক ধরে রেখেছেন স্থানীয় ভাষা। যাইনি নয়, ‘যাই নাই’। দেখিনি নয়, ‘দেখি নাই’। এই একরোখামি চিনিয়ে দেয় লেখকের রাজনীতিকে, তাঁর স্পর্ধাকে।

সাম্প্রতিক অতীতে পশ্চিমবঙ্গে আসামের বাঙালি বিস্তর আলোচিত হয়েছিল আসামে ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনস (এনআরসি) তৈরি প্রসঙ্গে। অধুনা বাংলাদেশে শিকড় থাকা মানুষকে বেনাগরিক করে দেওয়ার সেই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে কোণঠাসা করার চেষ্টা হয়েছিল ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের। দীর্ঘকাল ধরেই তাঁরা অসমিয়াদের চক্ষুশূল, তাঁদের বলা হয় মিঞা। তাঁরা সগর্বে কবিতা লেখেন নিজেদের মুখের ভাষায়, যাকে আলাদা করে মিঞা কবিতা বলার চল আছে। সে ভাষাকে রাষ্ট্রের এতই অপছন্দ (নাকি ভয়?) যে মিঞা কবিদের নামে এফআইআর হয়, গ্রেফতারও হতে হয়। ২০১৯ সালে সেই মিঞা কবিতার একখানা সংকলন প্রকাশিত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ থেকে। অভিষেক ঝা সম্পাদিত ত্রস্তের শিকড়বাকড় নামের সেই সংকলনের পৃষ্ঠ প্রচ্ছদে লেখা হয়েছিল “সৃষ্টি ও কৃষ্টির বেলোয়ারী ধারণা, বিবিধের মাঝে মিলনমহান ভারতরাষ্ট্রের সফেদ পোশাকে এই বই হলুদ মূত্রদাগ।’ ভারতেরই আরেক অঞ্চলে স্থাপিত অন্য এক জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে আবর্তিত সিন্ধুর উপন্যাসকেও একই আখ্যা দিলে ভুল হবে না।

এও এক বিক্ষুব্ধ জনপদ। এখানে মিশে রয়েছে নানা জনগোষ্ঠী, যাদের মধ্যে কখনো রক্তাক্ত সংঘাত চলে, কখনো শান্তিকল্যাণ। তবে সিন্ধুর কলমে তারা স্বনামে নেই সর্বদা। বাস্তব আর জাদুবাস্তব আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে যেভাবে প্রবল হিংসার রক্তে মাখামাখি ছবি এঁকেছেন লেখক, তাতে আপনাকে মৃত্যু উপত্যকার বাসিন্দাদের চিনে নিতে হবে লক্ষণ দেখে। যেমন

তখন উদ্বাস্তু বস্তি বা অজাতকুজাত পাড়া, কোনোটারই অবস্থা খুব একটা ভালো না। আকাশ মাঝে মাঝেই গরুড়ের ছায়ায় ছল ছল করে উঠছে! মাটিতে তার ছায়াটা স্পষ্ট হলেও আকাশ থেকেই সে রওনা দেয় বলে বোধহয় আকাশে সেই মৃদু অন্ধকারের কোনো লেশ পাওয়া যায় নাই কোনদিন! অন্তত আমি তো দেখি নাই! এককালে হয়তো যেত! তখন মূল কায়ার বিভীষিকা ছায়া অবধি গড়িয়ে নামত না। কিন্তু এই কালে বস্তির বাচ্চাগুলো পর্যন্ত নিজের ছায়ার সঙ্গে খেলতে ভয় পায়। মানুষ নিজের ছায়া দেখে আঁতকে উঠে কাপড় চোপড় সামলে রাখে। বিশ্বাসঘাতকের গন্ধ ভাসে বাতাসে বাতাসে। কলজে পোড়া গন্ধ তার বড়ই খোশবু আনে আমার ভিতরে।

অথবা

…কিন্তু বাকি পিঁপড়ারা বলাবলি করে, সেই ঝুলিয়ে রাখা শরীর থেকেও নাকি শুদ্ধতার জ্যোৎস্না একেবারে ঝরে ঝরে পড়ছিল। তখন সেই বমিগায়ে পিঁপড়া সমেত অন্য পিঁপড়ারা দাবিয়ে রাখা কয়েকজনকে দ্রুত গাড়িতে তুলে বস্তি থেকে মিলিয়ে যেতে থাকলে মালতীর ছিটকে পড়া ঘিলুর অনেকখানি তাদের সঙ্গে মিলিটারির গাড়িতেই পাড়ি দেয়। যেটুকু পড়ে থাকে চাকার ধূলায় তার চারপাশে একটা নীরব বলয় তৈরি হয়। তখন সেই গোধূলিকবর ভেদ করে ওপাশে দূর থেকে আমি বাবাকে পিঁপড়াগাড়িতে চলে যেতে দেখি। এরপরে বাবার সঙ্গে আমার আর দেখা হয় না।

ভিন্ন ভিন্ন জনগোষ্ঠীকে এইভাবে আঁকার শৈলীতে মনে পড়ে যায় ১৯৯২ সালে পুলিৎজার পুরস্কার পাওয়া আর্ট স্পিগেলমানের গ্রাফিক নভেল মাউস

অবশ্য স্পিগেলমানের চেয়েও শ্রীমালবিজয়ের লেখকের আত্মীয়তা গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের সঙ্গে বেশি। বিশ্বসাহিত্য যেদিকেই গড়াক, বাংলার সাহিত্যিকদের মধ্যে এখনো জাদু বাস্তবের যথেষ্ট রমরমা। অনেক লেখকই তাঁর গল্পে, উপন্যাসে জাদু বাস্তব তৈরি করেছেন বলে কলার তোলেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় সেইসব প্রয়াস স্রেফ ভাষার কারিকুরিতে বা গল্প বলার বিশেষ ঢঙে পর্যবসিত হয়েছে। মার্কেজ বা অন্যরা যে শখ করে, কেবল লিখতে ভাল লেগেছে বলেই জাদু বাস্তব ব্যাপারটা সৃষ্টি করেননি তা বাঙালি লেখকদের সচরাচর মনে থাকে না। অথচ ১৯৮২ সালে নোবেল পুরস্কার নেওয়ার বক্তৃতায় মার্কেজ নিজের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে, নিজের বিশ্ববিশ্রুত উপন্যাস ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ার্স অফ সলিচিউড-এর সূত্র ধরে, বলেছিলেন, লাতিন আমেরিকার বাস্তবতা এমনই যে তা ব্যক্ত করার অন্য কোনো উপায় ছিল না। তাই লাতিন আমেরিকার সাহিত্যে জাদু বাস্তবতার জন্ম, যা ইউরোপের চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। মার্কেজের কথায় ‘আমি কিছুটা দুঃসাহস করেই বলতে পারি যে বাস্তবের মাপে না আঁটা এই বাস্তবটার দিকে সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ লেটার্সের নজর পড়া উচিত ছিল, কেবল তার সাহিত্যিক অভিব্যক্তির উপরে নয়। কাগুজে বাস্তব নয়, যে বাস্তব আমাদের ভিতরে বাস করে এবং যা আমাদের প্রতিদিনের অসংখ্য মৃত্যুর মুহূর্তগুলোর কারণ। যা আমাদের অন্তহীন সৃজনশীলতার উৎস; দুঃখ এবং সৌন্দর্যে ভরপুর। আমি, এই ভবঘুরে এবং স্মৃতিমেদুর কলম্বিয়ানটি, তারই অংশ হয়ে থাকা একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি মাত্র। কবি ও ভিক্ষুরা, সঙ্গীতশিল্পী ও ভবিষ্যদ্বক্তারা, যোদ্ধা ও ইতররা, আমরা যারা ওই বেলাগাম বাস্তবতায় বেঁচে থাকা জীব – আমাদের খুব বেশি কল্পনা করতে হয়নি। কারণ আমাদের একটা বড় সমস্যা হল আমাদের জীবনগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য হওয়ার মত করে বলার পথ দুর্লভ। বন্ধুরা, এটাই আমাদের নিঃসঙ্গতার মূল।’ [নোবেল পুরস্কারের ওয়েবসাইট থেকে ইংরেজি বক্তৃতার ভাষান্তর আমার]

শ্রীমালবিজয় পাঁচালিকারের নিঃসঙ্গতাও ঠিক এইখানে। তার রক্তাক্ত বাস্তবের বয়ানও অন্য কোনো প্রকরণে, অন্য কোনো ভাষায় বলা যেত না।

… শূন্যতার বুকে দানা দেয় অপরিশীলন। মনে হল সাঁত করে গলির ওপাশে কেউ সরে গেল। লোকটা ন্যাংটো! লোক? ছায়ার লিঙ্গ নিয়েও আজকাল ভেবে চলেছি দেখছি! গ্রেট! এতটা না এসে শিল্পী কীভাবেই বা হতাম? আমার শিকড়ের কাছে আমার রক্তবমি করা শরীর পড়ে থাকত না?

শিকড়ের প্রতি টান থেকেই হয়ত সেই স্পর্ধা আসে যা একই উপন্যাসে দুরকম বাংলা ব্যবহার করার সাহস দেয় লেখককে। না, এখানে কথকের বাংলা আর সংলাপের বাংলা আলাদা হওয়ার কথা বলা হচ্ছে না। সে তো হওয়ারই কথা। ইদানীং লেখকদের আলস্যে বা নানারকম মানুষের কথা শোনার অনভ্যাসে বাংলা গল্প, উপন্যাসে হয়ে ওঠে না। কেউ চেষ্টা করতে গেলে বিকট ফলাফল হয়। শ্রীমালবিজয় উপন্যাসে লেখক গল্প বলতেই দুরকম ভাষা ব্যবহার করেছেন। ভারতের বিভিন্ন অংশের বিভিন্ন চেহারার বাংলা কোনোদিনই মূলধারার সাহিত্য, সিনেমার ভাষা হয়ে উঠতে পেল না। এর একমাত্র ব্যতিক্রম বোধহয় বাংলা ছবিতে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংলাপ। কিন্তু তাও শুধুমাত্র হাস্যরসের উদ্রেক করতেই ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে কলকাতার বাংলা ছাড়া কোনো ভাষায় যে ‘সিরিয়াস’ সাহিত্য সম্ভব, লেখা হয়েছেও, তা বড় অংশের পাঠক জানতেই পারেননি। অনেকে সেসব ভাষাকে সাহিত্যের ভাষা হিসাবে মানতেও চান না। সিন্ধু নিজের প্রথম উপন্যাসেই কিন্তু এই বিভাজনকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়েছেন। কে না জানে, মানুষ যখন চিন্তামগ্ন থাকে অথবা স্বপ্ন দেখে, তখনকার ভাষাই আসলে তার মাতৃভাষা। সে ভাষা ব্যবহার করলে হয়ত পারিপার্শ্বে তাকে হাস্যাস্পদ হতে হয়, তাই সে বলে না। কিন্তু নিজের সঙ্গে কথোপকথনে সেই ভাষাই একমেবাদ্বিতীয়ম। পারিপার্শ্বের ভাষাও আবার দীর্ঘ অভ্যাসে মিশে যায় সেই ভাষায় – অনায়াসে, অলক্ষ্যে। জন্ম হয় এক অন্যতর ভাষার। শ্রীমালবিজয় উপন্যাসে ঠিক তাই করা হয়েছে। ভাবতে ভাবতে যেমন হয়, কোনো কোনো অনুচ্ছেদের মাঝখানেই ভাষা বদলে ফেলেছেন লেখক। লোকে পড়বে কি পড়বে না, ভাষার জন্যেই এ বই প্রত্যাখ্যান করবে কিনা, সেসব চিন্তা উড়িয়ে দিয়ে এই প্রয়াস। তাও আবার প্রথম উপন্যাসে। শিহরণ জাগানো আখ্যানের কথা বাদ দিলেও, কেবল এইজন্যে লেখক প্রশংসার্হ।

আরও পড়ুন সুখেন মুর্মুর চদরবদর: অচেনার আনন্দ, অজানার সংকট

তবে সুপ্রসন্ন কুণ্ডুর প্রচ্ছদ সন্তুষ্ট করতে পারে না। আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী – বেশিরভাগ পাঠকের ক্ষেত্রেই এ কথার মার নেই। সম্ভবত প্রকাশকের পরিকল্পনাতেই এই উপন্যাসের প্রচ্ছদ অবিশেষ, কারণ এটা ‘প্রথমোপন্যাস’ সিরিজের বই। এই পরিকল্পনা অনেক পাঠককে বিমুখ করতে পারে। অন্তত এই উপন্যাসের বেলায় তাতে লেখকের চেয়ে পাঠকের ক্ষতি বেশি বলেই মনে হয়।

শ্রীমালবিজয়
লেখক: সিন্ধু সোম
প্রকাশক: কেতাবি
প্রচ্ছদ: সুপ্রসন্ন কুণ্ডু
দাম: ৩০০ টাকা

নাগরিক ডট নেটে প্রকাশিত

Author: Pratik

সাংবাদিক, লেখক। কাজ করেছেন দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ডেকান ক্রনিকল, দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য স্টেটসম্যান এবং অধুনালুপ্ত দ্য বেঙ্গল পোস্টে। বর্তমানে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও কাগজে লেখালিখি করেন। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ছয়।

Leave a Reply

Discover more from amarlikhon

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading