নাম তার ছিল: ২৪

পূর্বকথা: ছাত্র সুবিমল এসে খবর দেয় নন্দীগ্রামে গুলি চলেছে। রবীন তাকে নিয়ে এক কমরেডের বাড়িতে ঢোকে খবরটা চাক্ষুষ করতে। টিভির পর্দায় যা দেখছে তা বিশ্বাস হতে চায় না, ছাত্রকে কী ব্যাখ্যা দেবে বুঝে উঠতে পারে না। বাড়ি ফেরার পথে রবীন অসুস্থ বোধ করে। মনে পড়ে, ক্ষমতায় আসার পর প্রথম বক্তৃতায় জ্যোতি বসু বলেছিলেন “পুলিসকে আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করার কাজে ব্যবহৃত হতে দেব না।”

নন্দীগ্রামে গুলি চলার কয়েক মাস পরে একদিন সন্ধে নাগাদ রবীন বসে বসে কোন একটা অর্থহীন ছবি দেখছিল টিভিতে। এমন সময় একটা ফোন এল। খুব একটা কেউ ফোন করে না তখন। যত দিনে বাড়িতে ফোন নেওয়ার সামর্থ্য হয়েছে, তত দিনে ফোন করার লোক আর নেই তেমন। রবীন ঘোষাল তখন এক ক্ষমতাহীন সাধারণ সি পি এম কর্মীর নাম। কে আর ফোন করবে? ফোন নেওয়ার আগ্রহও তাই খুব একটা ছিল না। জোনাকি আর বিপ্লবের আগ্রহেই নিতে হয়েছিল। তবে একেক দিন, যেমন সেই যেদিন জগা দলবল নিয়ে স্কুলপাড়ায় দৌরাত্ম্য করল, সেইসব দিনে রবীনের মনে হয়েছে ফোনটা ভাগ্যিস নেওয়া হয়েছিল! নইলে এম এল এ সত্যেনকে তৎক্ষণাৎ ফোন করে পুলিশকে সক্রিয় করা যেত কী করে? ফোনটা করা হয়েছিল বলে অন্তত থান রোডে রাত্রিবেলায় টহল দেওয়া শুরু করেছিল পুলিশ।

মানে ফোনটা রবীনের কারো সাথে কথা বলতে হলে লাগত, কেউ রবীনকে ফোন করেছে এমনটা কমই হত। লাগাতার ফোন আসত জোনাকির। ওর মাসি, পিসি, তুতো বোনেরা, যারা সারাজীবন ওর সাথে প্রাণ খুলে কথা বলতে পারেনি কারণ এই অজ পাড়াগাঁয়ে আসার তাদের সময় ছিল না, আর গেঁয়ো জামাইবাবুর ফোন কেনার পয়সা ছিল না, তারাই বারবার ফোন করে ফোন আসার পর থেকে।

আর করত বিপ্লবের বন্ধুবান্ধবরা, যখন ও কলেজে পড়ত। বহুবার ফোনটা তুলে রবীন শুনেছে কোন একটা মিষ্টি গলার বাচ্চা মেয়ে বলছে “বিপ্লবকে পাওয়া যাবে?” ছেলে যখন এসে ফোনটা ধরত, রবীন বই পড়া বা টিভি দেখার ভান করে আড়চোখে ওকে দেখত। ফরসা মুখটা একটু লালচে হয়েছে কি কথা বলতে গিয়ে? গলাটা স্বাভাবিকের চেয়েও নীচে নামিয়ে কথা বলছে কি? এসব প্রণয়চিহ্ন কেবলই খুঁজে বেড়াত বিপ্লবের ফোনালাপে। নিজের কখনো প্রেম করা হয়নি। বড় সাধ ছিল ছেলেটাকে একটা বেশ আধুনিক, সুন্দরী মেয়ের সাথে প্রেম করতে দেখবে। বিপ্লব কলেজে ঢোকার পরেও বেশ কিছুদিন রবীন নিশ্চিত ছিল ও কমিউনিস্ট পার্টি করবে, বড় নেতা হবে একদিন। তা জীবনসঙ্গিনীটি তেমন না হলে চলবে কী করে? যদি সেও পার্টি করে তাহলে তো কথাই নেই, যদি নাও করে, যেন বিপ্লবের রাজনীতিতে তার শ্রদ্ধা থাকে — এইসব ভাবত রবীন। কলেজের সেই ছেলেটা খুন হওয়ার আগে অব্দি বিপ্লবের সাথে এমন সখ্য ছিল যে ও-ও জানত বাবা মোটেই মন দিয়ে পড়ছে না। ফোনটা রেখেই রবীনের দিকে ফিরে মুচকি হেসে বলত “বাবা, এত অন্যমনস্ক হয়ে পড়লে এরকুল পোয়ারো কিচ্ছু বোঝা যায় না।” রবীনও হেসে ফেলে জবাব দিত “সবকটা বই আমার ছ সাতবার করে পড়া।” রবীনের দুটো ইচ্ছের একটাও পূরণ হল না। ছেলে রাজনীতি থেকে বহু যোজন দূরে চলে গেল, প্রেমই বা করল কই?

এইসব ভাবতে ভাবতে ফোনটা রিং হয়ে হয়ে কেটেই গেল। জোনাকি পাশের ঘরে ভর সন্ধেবেলা অকারণেই গড়াচ্ছিল। ঝাঁঝিয়ে উঠল “কী গো! ফোনটা ধরলে না?”

“তুমি ধরলেই পারতে।”

“বাঃ! আমি সারাদিন খাটাখাটনির পর একটু শুয়ে আছি তোমার সহ্য হচ্ছে না, না? ও ঘরেই বসে আছ, আমাকে বলছ এখান থেকে গিয়ে ফোন ধরতে?”

রবীন একটা কড়া জবাব দেওয়ার আগেই ফোনটা আবার বাজতে শুরু করল। কথা না বাড়িয়ে রবীনই তুলল।

“হ্যালো।”

“হ্যালো, এটা জোনাকির বাড়ি?”

“হ্যাঁ হ্যাঁ।” রবীন রিসিভারটা নামিয়ে রেখে ধমকাল “বললাম তোমার ফোন।”

জোনাকি ভুরু কুঁচকে, উঠে আসার প্রবল অনিচ্ছায় জিজ্ঞেস করল “কে?”

“জানি না।” বলেই রবীন সটান গিয়ে টিভির সামনে বসে পড়ল।

ছবিটার মাথামুণ্ডু ছিল না একেবারেই। তাই উদ্দেশ্যহীনভাবে একের পর এক চ্যানেল ঘুরিয়ে যাচ্ছিল। জোনাকিকে কে ফোন করল, কী কথা হচ্ছে তাতে একেবারেই আগ্রহ ছিল না। কিন্তু কয়েক মিনিট পরে কাঁদার শব্দ কানে আসায় ফিরে তাকাতেই হল।

জোনাকি ফোনের পাশের টুলটায় বসে অস্ফূটে কথা বলছে আর ডুকরে কাঁদছে। চিন্তিত হয়ে সামনে গিয়ে দাঁড়াতে মুখ তুলে তাকাল, এবং বহু বছর পর, যা আর কোনদিন ঘটবেই না ভেবেছিল রবীন, সেটাই ঘটল। জোনাকি ওর হাতটা প্রাণপণে জড়িয়ে ধরল। ওপারে কে হতে পারে ভাবতে চেষ্টা করল রবীন। একবার ভাবল ইশারায় জিজ্ঞেস করবে, তারপর মনে হল থাক, আগে কথা শেষ হোক। মিনিট পাঁচেক পরে ফোনটা নামিয়ে রেখে, ফোন স্ট্যান্ডটায় মাথা রেখে জোনাকি সজোরে কেঁদে উঠল — জল বাড়তে বাড়তে শেষ পর্যন্ত এক ধাক্কায় লকগেট ভেঙে গেলে যেমন হয়। রবীন মাথায় হাত বুলিয়ে জিজ্ঞেস করল “কার ফোন?”

উত্তর দেওয়ার অবস্থায় আসতে জোনাকির আরো মিনিট খানেক লাগল।

“ঝোটনদার মা।”

নামটা রবীনের চেনা। বিয়ের কয়েক মাস পরে যে সময়টায় সম্বন্ধের বিয়ের অপরিচয় কেটে গিয়ে নবদম্পতির সময়টা চাঁদ, ফুল, পাখিতেই ঘুরপাক খায় কিছুদিন — সেই সময়টায় একদিন ওরা দুজনে দুজনকে জিজ্ঞেস করেছিল বিয়ের আগে কোন সম্পর্ক ছিল কিনা। কথাটা রবীনই তুলেছিল, জোনাকি বলেছিল “আহা! কায়দা করে আমারটা জেনে নিচ্ছ। এরপর সারাক্ষণ সন্দেহ করবে। নিজেরগুলো তো আর বলবে না…”

“ধুর। আমি বরাবরই ভ্যাবলাকান্ত। মেয়েদের সাথে কথা বলতে গেলেই তোতলা হয়ে যেতাম, আমার আবার প্রেম হবে কোত্থেকে?”

“মিথ্যে কথা বোলো না। চুটিয়ে ফুটবল, ক্রিকেট খেলতে, তারপরে অল্প বয়সে নেতা হয়ে গেছ, আর মেয়েরা তোমায় পাত্তা দিত না? অন্য লোককে গল্প শুনিও।”

রবীন হেসে ফেলে বলেছিল “না না, সত্যি। প্রেম হয়নি। একজনকে আমার পছন্দ ছিল ঠিকই। কিন্তু সে তো এখান থেকে চলেই গেল।”

“কে গো, কে গো?”

“আমার এক বন্ধুর কথা বলেছি না তোমায়? যে নকশাল হয়ে গেছিল?”

“হ্যাঁ হ্যাঁ, মুন্না।”

“ঐ মুন্নারই বোন, মুনিয়া।”

“মুন্না তো তোমার ছোটবেলার বন্ধু।”

“হ্যাঁ। ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় বাবা রিটায়ার করল, আমরা সবুজগ্রামে এলাম। তখন থেকে বন্ধু।”

“মুনিয়া তখন কত বড়?”

“কত হবে? ফোরে পড়ত বোধহয়।”

“বাব্বা! তাহলে তো বাল্য প্রেম। নিশ্চয়ই অনেক দূর এগিয়েছিলে? সত্যি কথা বলো।”

“না রে বাবা। আমারই ওকে পছন্দ ছিল। ওর কিছু ছিল বলে মনে হয় না। তারপর তো… মুন্না খুন হয়ে গেল, আর ওরাও এখানকার বাড়ি বেচে দিয়ে চলে গেল। একটা দুটো চিঠি লিখেছিল… আমার তো তখন থেকেই লেখার অসুবিধা শুরু হচ্ছে একটু একটু করে… আর রাজনীতিতেও নেমে পড়েছি… ভাল করে উত্তর দেয়া হয়নি… আর চিঠি আসেনি। কয়েক বছর পরে শুনলাম বিয়ে করে বিদেশ চলে গেছে।”

“দেখেছ, তুমি কিরকম? তাও সব সত্যি কথা বলছ না।”

“কেন? কী বললাম না আবার?”

“মেয়ে এখান থেকে চলে গিয়েও তোমায় চিঠি লিখত, আর তুমি বলছ ওর নাকি পছন্দ ছিল না।”

“আরে চিঠি লিখত ছোট থেকে একসাথে বড় হয়েছি তাই। আমি, নবা, মুন্না একেবারে গলাগলি ছিলাম তো। একেক সময় গোটা দিন ওদের বাড়ি কাটিয়েছি যে। মুনিয়া একবারই পুজোর সময় আমায় বলেছিল ‘রবীনদা, আমায় সিনেমায় নিয়ে যাবে?’ তখন ক্লাস টেনে পড়ি। অত সাহস ছিল আমার?”

“এ মা! তুমি নিয়ে গেলে না!”

“পাগল! বললাম আমার কাছে টাকা নেই।”

“ইশ! কী ক্যাবলা গো! তোমায় ঠাটিয়ে একটা থাপ্পড় মারেনি?”

“তুমি হলে মারতে। মুনিয়া শুধু রাগ করে সাতদিন কথা বলেনি।”

“ও ও ও! তার মানে তো খুবই প্রেম ছিল তার। ভাব করছ যেন বোঝোনি।”

“অ্যাই, তুমি এড়িয়ে যাচ্ছ, জোনাকি। আমারটা শোনা হল। এবার নিজেরটা বলো।”

জোনাকি বলতে শুরু করেছিল রঙ্গ রসিকতা করেই। কিন্তু শেষ করার পর হাউ হাউ করে কেঁদেছিল। রবীন সেদিনও এভাবেই মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছিল, ঠিক করেছিল জীবনে কখনো এই সম্পর্কটা নিয়ে ভুলেও কোন খোঁটা দেবে না, আর কিছু জিজ্ঞেসও করবে না। আশি সালের সেই প্রতিজ্ঞা এই ২০০৭ পর্যন্ত রবীন অতি কষ্টে বজায় রেখেছে। সাতাশ বছরের বৈবাহিক জীবনে বহু কলহে যখন দুজনের বাঁধন ক্রমশ শিথিল হয়েছে, রবীনের রাজনীতি কিভাবে জোনাকির জীবন নষ্ট করে দিয়েছে সেই গঞ্জনা যখন বারংবার শুনতে হয়েছে, তখন বারবার রবীনের ঠোঁটে এসে গেছে “ঝোটনদাকে বিয়ে করলে কি অন্যরকম হত?” কিন্তু রবীন কথাটা শেষ অব্দি উচ্চারণ করেনি। অনেক সময় নিজেকে সামলাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছে তখনকার মত।

সেই ঝোটনদার মা।

“এনার সাথে তোমার বহুকাল যোগাযোগ ছিল না, না?” রবীন জিজ্ঞেস করে।

“ঝোটনদা খুন হওয়ার পরেই তো মেসোমশাই হৃদয়পুর না দত্তপুকুর, কোথায় যেন উঠে গেলেন। তারপর থেকে আর…। ছোটমামার সাথে বনগাঁ লোকালে ডেলি প্যাসেঞ্জারি করতে গিয়ে দেখা হত বলত। দিদিমা মারা যাওয়ার পরে তো আমি দাদার কাছে চলে গেলাম। সেই থেকে আর কিছু শুনতেও পাইনি।”

“তোমার নম্বর পেলেন কী করে?”

“অদ্ভুত ব্যাপার। মাসিমা এখন একা। মেসোমশাই মারা গেছেন। এখন বোনের কাছে থাকেন। অনিন্দ্যদার পাশের ফ্ল্যাট।”

“মানে কবি অনিন্দ্যদা?”

“হ্যাঁ। অনিন্দ্যদার বউয়ের সাথে কথা বলতে বলতে বেরিয়ে পড়েছে যে ওরা আমার দাদার বন্ধু। তারপর বোনের নাতনিকে দিয়ে বউদিকে ফোন করিয়ে আমাদের নম্বর যোগাড় করেছেন।”

“অনেক বয়স এখন, না?”

“হ্যাঁ। নব্বই টব্বই হবে। কথা বলতে একটু কষ্টই হচ্ছিল।”

“তোমায় খুবই ভালবাসতেন। নইলে এতদিন বাদে ফোন… কী বললেন?”

“বললেন… তোর কথা খুব মনে পড়ছিল কদিন ধরে। ছত্রিশ বছর হল ঝোটন নেই। ওর বাবা মানত না, কিন্তু আমি তো বুঝি, ঝোটন মারাই গেছে। কত ছেলেকে মেরেছে তখন পুলিশ। আমি তাই ওর মৃত্যুদিনে ছবিতে মালা দিই, আর তোর কথা ভাবি। ঝোটনকে তো আর দেখতে পাব না। তোকে যদি মরার আগে আরেকবার দেখতে পাই…”

“কোথায় থাকেন যেন?”

“সল্টলেক।”

“ঘুরে এসো একদিন। দেরী কোরো না। আর কদিনই বা বাঁচবেন?”

বলে হাঁটতে বেরিয়ে যায় রবীন।

পুলিশের গুলিতে মারা যাওয়া ছেলের মা। হাজার চুরাশির মা। এমন মায়ের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। রাজনৈতিক বন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তির তিরিশ বছর পরেও। বাম শাসনের তিরিশ বছর হয়ে যাওয়ার পরেও। হাঁটতে হাঁটতে হরিমতীর ঝিলের ধারে গিয়ে বসে রবীন।

ভাদ্র মাসের ভ্যাপসা গরম। তবু ঝিলের ধার বলে হাওয়ায় একটু আরাম। বিড়িটা ধরাতে বেশ বেগ পেতে হল। একটা টান মেরে রবীন মনে করার চেষ্টা করল ছেলেটার নাম। ঐ… যে বিপ্লবের বন্ধু ছিল? হ্যাঁ, রঞ্জন। ঐ ছেলেটার মৃত্যুর পর থেকেই নিজের ছেলেটাও পর হয়ে গেল। এমন দেয়াল তুলে দিল নিজের চারপাশে, সে দেয়াল রবীন আর ভেদ করতে পারেনি। তাই আর বলা হয়ে ওঠেনি, কাগজে ছেলের বাবার নাম দেখেই ও চিনতে পেরেছিল এই ছেলে হল জীবেন স্যারের নাতি।

ভূগোলের স্যার জীবেন মাইতি — যিনি রবীনকে মার্কসবাদের পথে নিয়ে এসেছিলেন। স্যার বেঁচে থাকতেই তরুণদা, মানে স্যারের ছেলে, সবুজগ্রাম ছেড়েছিল। ওঁর স্ত্রী বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে, বৃদ্ধ বয়সে তাঁদের দেখার কেউ ছিল না। তাই তরুণদা শ্বশুরবাড়িতেই থাকতে শুরু করেছিল। অবশ্য ওখানে গিয়েও পার্টি করা ছাড়েনি। এমার্জেন্সির সময় জেলও খেটেছে। যদ্দিন স্যারের স্ত্রী বেঁচেছিলেন, তদ্দিন সবুজগ্রামে যাতায়াত ছিল। এলেই রবীনদের পার্টি অফিসে আড্ডা মারতে আসত। তারপর আশি সালে মাসিমা মারা গেলেন, তরুণদারও সবুজগ্রামের পাট উঠে গেল। কাগজে খবরটা দেখে রবীন একবার ভেবেছিল স্যারের ভাইপোর থেকে নম্বর নিয়ে তরুণদাকে ফোন করবে। তারপর ভাবল, কী বলবে ফোন করে? সান্ত্বনা দেবে? যে পার্টির জন্যে উদয়াস্ত খেটেছে ওর বাবা, যে পার্টি করার অপরাধে তরুণদা নিজে জেল খেটেছে, সেই পার্টি ওর ছেলের জীবন শেষ করে দিল। এর কি কোন সান্ত্বনা হয়?

ভাল লাগলে টাকা দিতে পারেন Google Pay / Paytm / BHIM বা অন্য UPI অ্যাপের মাধ্যমে journopratik@okhdfcbank কে

অথবা

নেট ব্যাঙ্কিং বা অন্য উপায়ে নিম্নলিখিত অ্যাকাউন্টে

Pratik Bandyopadhyay
A/c No. 14041140002343
HDFC Bank
Branch: South Calcutta Girls’ College
IFS Code: HDFC0001404
MICR Code: 700240048

Published by

Pratik

Blogger and poet. Isn't that enough?

Leave a Reply