নাম তার ছিল: ৯

পূর্বকথা: বাগবাজারের সি পি আই কর্মী শুভময়ের বোন জোনাকি আর সবুজগ্রামের সি পি এম নেতা রবীন বস্তুত দুই ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দা। তবু তাদের দেখা হল, বিয়ে হল এপ্রিল ১৯৮০ তে। তার আগেই হল লোকসভা নির্বাচন, সে নির্বাচনে সি পি আই আর সি পি এম একসাথে লড়ল

বিয়েতে রবীনের দাদা দিদিরা সকলেই এসেছিল, তবে কারোরই কনে পছন্দ হয়নি। কানে কিছু না এলেও রবীন সেটা ভালই বুঝতে পেরেছিল। কিন্তু বিয়ের দিনগুলো কেটে গেলে সম্পর্ক থাকবে তো শুধু বড়দির সাথে। তার জোনাকিকে খুব পছন্দ। অতএব অন্যরা কে কী ভাবল না ভাবল, রবীনের তা নিয়ে মাথা ব্যথা ছিল না।

পাঁচশো টাকা মাইনের স্কুলশিক্ষক রবীন বউভাতের আয়োজন করতে পেরেছিল যৎসামান্য। সেটুকু করতেই সবুজগ্রাম সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে ধার করতে হয়েছিল কিছুটা। শ্যামার মন ভরেনি। কারণ শুভময়ও মাস্টার, অথচ সে নেহাত কম আয়োজন করেনি। শ্যামা তো আর জানতে পারেনি সে আয়োজনে জোনাকির মামাদের অবদান। রবীনের কোন মামা ছিল না, আর দাদাদের থেকে বিয়ের আয়োজনে সাহায্য চাওয়ার লোক সে নয়। একবার, রবীন তখনো চাকরি পায়নি, সে মাসে একটু টানাটানি পড়ে যাওয়ায় বড় ছেলের কাছে কিছু টাকা চেয়ে চিঠি লিখে বাবা কী উত্তর পেয়েছিলেন সেকথা রবীন কখনো ভোলেনি। একটা সুবিধা হয়েছিল। বউভাতের রান্নার দায়িত্বটা নিয়েছিল রবীনের পাড়ার বন্ধু সুবিনয় আর নীলরতন। ফলে রাঁধুনির খরচটা বেঁচে গিয়েছিল। সবুজগ্রামে চল না থাকলেও শ্রীপুরে তদ্দিনে ক্যাটারিং ব্যবসা অল্পবিস্তর চালু হয়ে গেছে। এক ক্যাটারিং কোম্পানির মালিক বিয়ের মাস খানেক আগে একদিন সকালে ঘোষালবাড়িতে হাজির।

লোকটার মুখটা চেনা চেনা লেগেছিল দেখামাত্রই। কিন্তু কোথায় দেখেছে রবীন মনে করতে পারেনি। মনে করার সময়ও ছিল না। তখন ঘুম থেকে ওঠার আগে থেকেই একগাদা লোক নানা প্রয়োজনে দরজার বাইরে এসে দাঁড়িয়ে থাকত। প্রায় রোজই তাদের হাঁকডাকেই ঘুম ভাঙত, দরজা খুলে বারান্দায় বসতে দিয়ে পায়খানায় যেতে হত। ঘুরে এসে রান্নার আয়োজন করে রেখে সেই যে বসা, নটা সাড়ে নটার আগে আর ওঠার সময় হত না। কোনদিন তারপরেও লোক থাকলে উঠে গিয়ে এক ফাঁকে রান্নাটা বসিয়ে আসতে হত স্টোভে। শেষ অব্দি দৌড়ে পুকুরে ডুব দিয়ে এসে কোন মতে ভাত গিলে দৌড়তে হত স্কুল।

সেইদিন লোকজন একটু কম ছিল। নটার আগেই সবার কাজ মিটে গেল, অথচ রবীন দ্যাখে সেই লোকটা চুপটি করে এক কোণে বসেই আছে। রবীন জিজ্ঞেস করল “আপনি তো অনেকক্ষণ থেকে বসে আছেন। এবার বলে ফেলুন আপনার ব্যাপারটা।”

বলতেই লোকটা প্রায় লাফিয়ে রবীনের পাশটিতে এসে বসল। তারপর বিরক্তিকর ভঙ্গিতে হাত কচলে বলল “নমস্কার, নমস্কার। আমার নাম অমল ঘোষ। আপনার অফিসের টাইপিস্ট অধীর? আমার আপন কাকা।”

“ও, তাই দেখেছি দেখেছি মনে হচ্ছিল। তো কী ব্যাপার? কাকার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আছে?”

“না না, ওসব কিছু নয়। আপনার সাথেই একটু দরকার।”

“বলে ফেলুন।”

“না, মানে শুনলাম আপনার সামনে বিয়ে?”

“হ্যাঁ, সামনের মাসে। কেন?”

“না, বলছিলাম খাওয়াদাওয়ার দায়িত্বটা যদি আমাকে দিতেন…”

“ও, আপনি ঠাকুর? এ রাম, এটা আগে বলবেন তো। এতক্ষণ শুধু শুধু সময় নষ্ট করলেন। ওটা তো ঠিক হয়ে গেছে। আমার দুই বন্ধু রান্না করবে। কিছু মনে করবেন না।”

“না, আমি ঠাকুর নই। আমার আসলে ক্যাটারিঙের ব্যবসা, দাদা। আমাদের হাতে দায়িত্ব দিলে শুধু রান্না না, বাজারঘাট সবই আমরা করে নিতাম, আপনি নিশ্চিন্তে বিয়েটা করতে পারতেন।”

“ও আমি এমনিও পারতাম না, ভাই। আমার সামান্য রোজগার। ক্যাটারার নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। এইটুকু আয়োজন করতেই আমায় ধার বাকি করতে হচ্ছে। কোন অনুষ্ঠান করারই আমার ইচ্ছে ছিল না। কিন্তু আমার দিদি আছেন গার্ডিয়ান। তিনি রাজি হলেন না।”

এরপর লোকটা এক হাত জিভ কেটে যে কথাটা বলে তাতেই রবীনের মাথাটা গরম হতে শুরু করে।

“না না দাদা, এ কী বলছেন? আপনার থেকে আমি টাকা নিতাম? ছি ছি।”

“কেন? নিতেন না কেন?”

“আরে টাকা কি আমার পালাচ্ছে, দাদা? আপনার অতিথি মানে আমার অতিথি। আপনার কুটুম আমার কুটুম। আপনার মানটা রাখতে পারলে পরে পঞ্চায়েত সমিতির এ অনুষ্ঠান সে অনুষ্ঠান সারা বছর তো লেগেই আছে। টাকা আমার সেখান থেকেই উশুল হয়ে যেত।”

লোকটা যে সত্যিই কথাটা বলেছে সেটা বিশ্বাস করতে বেশ কয়েক সেকেন্ড লেগেছিল। তারপরই রবীন জিজ্ঞেস করে “আপনাকে আমার কাছে কে পাঠিয়েছে? অধীরদা?”

লোকটা মুখ দেখে বোঝে ব্যাপারটা ভাল দিকে গড়াচ্ছে না। একটু ঘাবড়ে গিয়ে বলে “না না, কাকা কিছু বলেনি আমায়।”

“আমার হাত উঠে যাওয়ার আগে বেরিয়ে যান।”

লোকটা নাছোড়বান্দা। এই কথা বলার পরেও ভালমানুষের মত জিজ্ঞেস করে “আমি কি অন্যায় কিছু বললাম?”

এবার রবীনের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়, গলা সপ্তমে চড়ে।

“ঘুষ দিতে এসেছো, বেয়াদপ? সাহস কম না। আবার ‘কী অন্যায় বললাম?’ যাও, বেরিয়ে যাও।”

লোকটার মনে হয়েছিল এবার সত্যিই রবীন থাপ্পড় টাপ্পড় লাগিয়ে দিতে পারে। তাই সে উঠে পড়ে দরজার দিকে হাঁটা দেয়। নিরাপদ দূরত্বে পৌঁছে বলে “ঘুষের কী আছে? আপনি আমায় দেখবেন, আমি আপনাকে দেখব। এই তো ব্যবসার নিয়ম। এতে রাগের কী আছে?”

রবীন তার পিলে চমকে দিয়ে চেঁচায় “আর একটা কথা মুখ দিয়ে বেরোলে জুতো পেটা করব।” বলতে বলতে দু পা এগিয়েও গিয়েছিল। লোকটা উর্ধ্বশ্বাসে পালাতে গিয়ে সিঁড়িতে হোঁচট খেয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে উঠোনে, এক পায়ের চটিটা যায় ছিঁড়ে। কোন মতে উঠে দাঁড়িয়ে এক পাটি পায়ে আরেক পাটি হাতে নিয়েই সে পালায়।

ঘটনাটা ফুলশয্যাতেই জোনাকিকে বলেছিল রবীন। বলেছিল “এ তো কিছুই নয়। এর চেয়ে অনেক বড় বড় প্রলোভন অপেক্ষা করে থাকে আমার জন্যে। এবার তুমি এসেছ, আমার কাছে সুবিধে হবে না বুঝে লোকে তোমায় টার্গেট করবে কিন্তু। সাবধান থেকো।”

“ও নিয়ে তোমায় ভাবতে হবে না। আমার কোন লোভ নেই।”

“শুধু লোভের কথা নয়। টানাটানির সংসার তো। কেউ হয়ত সহানুভূতি দেখানোর ভান করে কিছু একটা গছিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবে। এই ফাঁকিগুলো তোমাকে বুঝতে হবে।”

জোনাকি জাঁক করে বলেছিল “ভুলে যেও না, আমিও কিন্তু রাজনীতি করা পরিবারের মেয়ে।”

অনেকে অবশ্য প্রলোভন ছাড়াই দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। যেন ব্যাপারটার মধ্যে বেশ একটা বাহাদুরি আছে, যেন ঘুষ নেওয়ার যোগ্য হয়ে উঠতে হয়। এরকম অনেক কমরেডের মুখ রবীনের চারপাশে। অনেকে আবার ভাবে শুধু ঘুষ না নিলেই সৎ থাকা হল। ব্যাপারটা যে অত সোজা নয় সেটা বহু কমরেডকে বুঝিয়ে ওঠাই গেল না এত বছরে। একজন সাধারণ মানুষের সৎ হওয়া আর একজন প্রশাসকের সৎ হওয়ার মধ্যে যে আকাশ পাতাল ফারাক আর তার চেয়ে আরো শক্ত যে একজন কমিউনিস্টের সততার মানদণ্ড, সেটা জুনিয়র কমরেডদের বোঝানোর আপ্রাণ চেষ্টা এক সময় করেছে রবীন। তখন তার কথা মন দিয়ে শোনার, মানতে চেষ্টা করার লোক ছিল পার্টিতে। এখন আর কে কার কথা শোনে?

জোনাকির সাথে দাম্পত্যের প্রথম দিককার কথা মনে পড়লেই সেই সময়কার জ্বলজ্বলে মুখগুলো মনে পড়ে। তরুণ মুখ, বিপ্লবের স্বপ্ন দেখা মুখ, অন্যরকম একটা শাসনব্যবস্থার গন্ধ পাওয়া মুখ। তারাই সরগরম রাখত রবীন-জোনাকির সংসার। সকাল থেকে কাপের পর কাপ চা করতে হত জোনাকিকে। ছুটির দিন হলে তো বেলা বারোটার সময়ে ছেলেমেয়েগুলো কেউ একজন রান্নাঘরে গিয়ে আবদার করত “বৌদি, আজ দুটো ডাল ভাত পাব কি আপনার কাছে? রবীনদার সাথে জোর তর্ক লেগে গেছে প্রাইভেট প্রপার্টি নিয়ে। একটা হেস্তনেস্ত না করে তো বাড়ি যাওয়া যাবে না।”

জোনাকি তৎক্ষণাৎ বলত “মারব এক থাপ্পড়। এত কায়দা করে বলবার কী আছে? নতুন আসছ এ বাড়িতে? সোজা এসে বললেই তো হয় ‘বৌদি, আজ আপনার কাছে খাব।’”

সেইসব তাজা কমরেডদের মধ্যে অবশ্য বলরামও ছিল। তার মত অনেকেই তো বেপথু হয়ে গেল! কেন হল? তবে কি তখনকার আলোচনায় যোগ দিত শুধু রবীনের প্রিয় হওয়ার জন্যে? ভান করত শুধু? ভান করার জন্যেও যদি কেউ মার্কস, এঙ্গেলস, লেনিন, স্তালিন পড়ে; তার এক কণাও কি তার মগজে পৌঁছবে না? কে জানে! দুনিয়াটাকে বড় অচেনা লাগে।

অবশ্য এতে এত বিস্মিত হওয়ারই বা কী আছে? বড় বয়সে মার্কসবাদের সংস্পর্শে আসা ছেলেমেয়েদের কথা না হয় ছেড়েই দেওয়া গেল, যে ছেলে বড়ই হল ঐ পরিবেশে, সেও তো আজকাল সবকিছুই মাপে লাভ ক্ষতির অঙ্কে। সেই ছেলে যাকে জোনাকির গর্ভে স্থাপন করেছিল রবীন, যার প্রত্যেকটা মাংসপেশীকে শক্তিশালী করার জন্যে শীতের রোদে সর্ষের তেল দিয়ে দলাই মলাই করেছে নিজের হাতে। যাকে জোনাকি আর রবীন শিখিয়েছিল “রিকশাওলা” নয়, নাম জানা না থাকলে “রিকশাকাকু” বলে ডাকতে হয়। সেই ছেলে যার বাজি থেকে কালীপুজোর দিন সকালে বিন্দুর চায়ের দোকানে টেবিল মোছে যে বাচ্চাটা, তাকে কালিপটকার প্যাকেটটা দিয়ে দিতে বলেছিল রবীন। বিপ্লব নির্দ্বিধায় দিয়ে দিয়েছিল। সেই ছেলে, সেই বিপ্লব।

রবীনের এখনো পরিষ্কার মনে আছে, বিপ্লবের তখনো গোঁফ দাড়ি বেরোবার সময় হয়নি। জোনাকির সাথে কোন আত্মীয়ের বাড়ি থেকে সন্ধ্যেবেলা ফিরেছে গম্ভীর মুখে। ঘটনাচক্রে সেদিন সন্ধ্যায় রবীন বাড়িতেই ছিল। ছেলে ঘরে ঢুকে থম মেরে বসে আছে দেখে রবীন জিজ্ঞেস করল “কী রে? মুখ ভার কেন?”

“এই বলকাকুই এখানকার পার্টিটাকে তুলে দেবে।”

“কেন রে?”

“সারা রাস্তা গজগজ করতে করতে এল” জোনাকি বলে। “আমি তো খালি বকছি ‘আস্তে বল, আস্তে বল।’ গোবিন্দর রিকশায় এলাম। ও শুনতে পেলে ভাবত ‘এইটুকু ছেলের এত ট্যাকস ট্যাকস কথা!’”

“কিছুই ভাবত না,” বিপ্লব খুব জোর দিয়ে বলে। “হয়ত শুনতেও পেয়েছে। আমি তো গোবিন্দকাকুর পক্ষ নিয়েই কথা বলছিলাম।”

“আচ্ছা কী হয়েছে সেটা বলবি তো?” রবীন অধৈর্য হয়ে যায়।

“আর কী? গরীব লোককে চাকরবাকর ভাবে। বলকাকুর দাদা অফিস থেকে ফেরার পথে বাজার করেছে, করে বিন্দুকাকুর দোকানে চা খেতে ঢুকছিল। যেই গোবিন্দকাকুকে দেখতে পেল, অমনি বাজারের ব্যাগটা হাতে ধরিয়ে দিয়ে অর্ডার করল ‘এটা বাড়িতে দিয়ে দিবি।’ গোবিন্দকাকু কিন্তু বলল ‘দাদা, আমি তো ওদিকে যাচ্ছি না, রবীনদাদের পাড়ায় যাচ্ছি।’ তাতেও বলে ‘তা বৌদিকে নামিয়ে আমার বাড়িতে দিয়ে দিবি। ওখান থেকে ঐটুকু যাবি তাতে এত কথা?’”

বিপ্লবের মুখে কথাটা শুনে রবীনের ছেলের জন্যে বেশ গর্ব হল। ন্যায়-অন্যায়ের ধারণাটা একেবারে ঠিক তৈরি হয়েছে; এটা অর্ধেক লোকের চোখে ধরাই পড়ত না। রবীন আরো একটু শোনার জন্য ইচ্ছে করে বলে “এটা এমন কী খারাপ? গোবিন্দ তো ওদের পাড়াতেই থাকে।”

ক্লাস সিক্সের ছেলে মহা ক্ষেপে গিয়ে বলে “বাবা, তুমি এটাকে জাস্টিফাই করবে না। পাড়ার লোক তো কী? গোবিন্দকাকু রিকশা চালায় বলেই এই দাবিটা করেছে। ওদের পাড়ায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিস যায় এরকম লোকও তো আছে। বিন্দুকাকুর দোকানেই তো ওদের পাশের বাড়ির একজন বসে আছে দেখলাম। তাদের তো বলে না। আসলে যে রিকশা চালায় তাকে ভাবে ছোটলোক। আর ভাই পঞ্চায়েত প্রধান তো, সেই জন্য রিকশাকাকুরাও ভয়ে কিছু বলবে না জানে। এরা আবার কমিউনিস্ট পার্টি করে।”

রবীন চোখ দুটো ‘মার্ডার অন দি ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস’ থেকে না তুলেই বলে “বল কমিউনিস্ট পার্টি করে, বলর দাদা তো করে না।”

বিপ্লব আরো ক্ষেপে যায়। “তা বললে তো চলবে না। তুমি তাহলে মাকে বলো কেন ‘তোমার আচরণে যেন অহঙ্কার প্রকাশ না পায়’? মা তো প্রশাসনেও নেই, কমিউনিস্ট পার্টিও করে না। নিজেকে কমিউনিস্ট বলব আর পরিবারের লোকেরা মানুষের সাথে প্রভুর মত ব্যবহার করবে — এ তো চলতে পারে না।”

জোনাকি আর থাকতে পারে না। হো হো করে হেসে ফ্যালে, ফলে রবীনের পক্ষেও হাসি চাপা আর সম্ভব হয় না। রাগে বিপ্লবের মুখ লাল হয়ে যায়। জোনাকি মাথায় হাত বুলিয়ে বলে “আরে বোকা, বুঝতে পারছিস না বাবা তোর সাথে ইয়ার্কি করছে?”

রবীন ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল “বালাই ষাট। বিশ্বাস হয় না রে, বাবা, বিশ্বাস হয় না। একটা মাত্র ছেলে আমার।”

সেই বিপ্লব। একেবারে বদলে গেল। ভাবতে ভাবতে রবীনের চোখ জলে ভরে আসে। সেদিনের মতই।

*এই উপন্যাসের সমস্ত ঘটনা ও চরিত্র কাল্পনিক। কোন সত্যি ঘটনা বা জীবিত/মৃত ব্যক্তির সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। কিছু বাস্তব চরিত্রের নাম এসেছে কেবল সময়কাল বোঝাতে

ভাল লাগলে টাকা পাঠাতে পারেন:

Google Pay / Paytm / BHIM বা অন্য মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে journopratik@okhdfcbank কে

অথবা

নেট ব্যাঙ্কিং বা অন্য উপায়ে নিম্নলিখিত অ্যাকাউন্টে

Pratik Bandyopadhyay
A/c No. 14041140002343
HDFC Bank
Branch: South Calcutta Girls’ College
IFS Code: HDFC0001404
MICR Code: 700240048

Published by

Pratik

Blogger and poet. Isn't that enough?

Leave a Reply