নাম তার ছিল: ৭

পূর্বকথা: বলরাম একসময় রবীনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ছিল। এত ঘনিষ্ঠ যে তাকে বাদ দিয়ে বাল্যবন্ধু নবারুণকে হীরুদার কাছে নিয়ে গিয়েছিল বলে রবীনের উপর অখুশি হয়েছিল। জোনাকি বলরামকে মুখের উপর বলে দিয়েছিল, তার পার্টিকে দরকার, কিন্তু পার্টির দরকার নবারুণকে। সেই বলরাম এখন এলাকার দণ্ডমুণ্ডের কর্তা

হরিমতীর ঝিলের ধারে আর আগের মত এসে বসা যায় না। মানে বসে সুখ হয় না। মার্চ মাস এসে গেলেই বিকেলে সেই দখিনা হাওয়াটা এখনো পাওয়া যায় বটে কিন্তু বেশিক্ষণ বসে থাকলে গায়ে বালি কিচকিচ করে। ঝিলের পাশ দিয়ে যাওয়া বড় রাস্তায় এখন অনেক গাড়িঘোড়া যে। শুধু নামে নয়, এখন কাজেও ওটা রোড — থান রোড।

গলামন পাড় থেকে শুরু হয়ে বড়িহাটা, সবুজগ্রাম, ক্ষেত্রগ্রামের বুকের মধ্যে দিয়ে জাতীয় সড়কে গিয়ে মিশেছে রাস্তাটা। সড়কের ওপারে আজাদপুর ছাড়িয়ে আরো দশ-বারো কিলোমিটার গেলে শেয়ালডাঙা। যেখানে আজাদপুর শেষ আর শেয়ালডাঙা শুরু, ঠিক সেই মোড়ে পীরবাবার থান। ঐ থানের নামেই রাস্তার নাম। থানের উল্টোদিকের মাঠে এখন মস্ত লাইব্রেরি। রবীন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি থাকার সময়ে গ্রামীণ গ্রন্থাগার হিসাবে চালু হয়েছিল। বছর দশেক হল আজাদপুর পৌরসভা হয়ে গেছে। ফলে লাইব্রেরিটাও পৌর গ্রন্থাগার। আরো বড় হয়ে গেছে।

ওদিকটায় অনেককাল যাওয়া হয় না। কেমন আছে কে জানে ওখানকার কমরেডরা? দুঃসময়ে যাদের বাড়িতে থেকেছে, খেয়েছে রবীন, তারা সবাই বেঁচে আছে কিনা তা-ই বা কে জানে? একদিন ঘুরে এলে হয়। সেই যে ছোট মসজিদটা, যার বারান্দায় আজাদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গোড়াপত্তন হয়েছিল। ইমাম ছিলেন একজন। বড় সাদাসিধে। রবীনের সাথে প্রথম সাক্ষাতেই বলেছিলেন প্রাইমারি স্কুল দরকার গ্রামে। যখন কথাবার্তা এগোল তখন নিজেই বললেন “যদ্দিন ঘরবাড়ির ব্যবস্থা না হচ্ছে মসজিদেই শুরু হোক না।” বেঁচে আছেন কি ভদ্রলোক? তখনই তো প্রায় ষাট বছর বয়স ছিল। শক্তপোক্ত চেহারা অবশ্য।

ভাবতে ভাবতে রবীনের খুব ইচ্ছে করে একদিন সাইকেলে করে ঘুরে আসবে আজাদপুর থেকে। কিন্তু যাওয়া আর হয়ে ওঠে না। ব্যস্ততার জন্যে নয়। এখন তো স্কুল যাওয়া ছাড়া আর তেমন কোন কাজ নেই। এল সি মিটিঙে গিয়ে বসা ছাড়া পার্টির কাজও তো তেমন নেই রবীনের। আর মিটিংগুলোর তো আজকাল ঐ ছিরি। শ্যামলদা এল সি এস হওয়ার পর থেকে সবুজগ্রামের পার্টিটা মনে হয় যেন ঘুমোচ্ছে। আসলে শ্যামলদা বলরামের কথায় ওঠে বসে। আর পার্টি যত নিস্তেজ থাকে কুলাঙ্গারটার তত সুবিধা — যাবতীয় দু নম্বরি বেশ নিশ্চিন্তে চালানো যায়। এলাকার সৎ কমরেডরাও বলকে যমের মত ভয় পায়। আর লোকাল কমিটিতে ওর সাঙ্গোপাঙ্গরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় কিছু বলেও কোন লাভ নেই। উদ্দালকের মত নির্ভীক ছেলে চলে যাওয়ায় রবীনের মত লোকেদের জোর আরোই কমে গেছে। তাই কোন একদিন গেলেই হয়, কিন্তু রবীনের যাওয়া হয়ে উঠছে না।

কারণটা কি শারীরিক? রবীন নিজেও ঠিক বোঝে না। আসলে হয়েছে কি, যাওয়ার কথা উঠলেই মনে হয় অতটা রাস্তা সাইকেল চালিয়ে যাওয়া। কেমন যেন সাহস হচ্ছে না। সারাজীবন সাইকেলেই লম্বা লম্বা রাস্তা পাড়ি দিয়েছে সে, এখনো সাইকেলেই ঘুরে বেড়ায় সারাদিন। আগের বছর যখন জোনাল সম্মেলন হল তখনো রোজ সাইকেল চালিয়েই গিয়েছিল। সম্মেলনটা হয়েছিল শ্রীপুর জোনাল কমিটির অফিসের কাছেই, রবীন্দ্রভবনে — সবুজগ্রাম থেকে পাঁচ-ছ কিলোমিটার। সাইকেল চালিয়ে যেতে আসতে বেশ ভালই লেগেছিল। এখন মনে হয়, হাঁপ ধরে যাবে না তো? কেন মনে হয় কে জানে! ধরলেই বা কী এমন হবে? আচ্ছা, বরং কাউকে একটা সঙ্গে নিয়ে যাবেখন।

ভাবতে ভাবতে বিড়িটা শেষ করে রবীন। তারপর উঠে ঝিলের পাড় ধরে দক্ষিণ দিকে হাঁটতে শুরু করে। এদিকটা বছর পনেরো আগেও প্রায় ফাঁকা মাঠ ছিল, এখন ঘনবসতি। বাংলাদেশ থেকে চলে আসা গরীব মানুষ সব। নব্বইয়ের দশকের দ্বিতীয় ভাগে একটি দুটি করে পরিবার আসতে শুরু করেছিল। শুরুতে যারা এসেছিল তারা পায়ের তলার মাটি শক্ত করেই আত্মীয়স্বজনদের ডেকে এনেছে।

ভীষণ খাটতে পারে মানুষগুলো। প্রথম যখন আসে তখন মেয়েরা সবুজগ্রামের পাড়ায় পাড়ায় লোকের বাড়ি কাজ নিয়েছে, পুরুষরা রিকশা চালিয়েছে, ভ্যান চালিয়েছে, জন খেটেছে। যে কাজ জানে সে রাজমিস্তিরির কাজ ধরেছে, কেউ বা ভ্যানে করে সব্জি বেচেছে। এখন, এক দশক পরে, অনেক রিকশাওয়ালা পাকা দোকানঘর করে ইমিটেশন হার দুলের দোকান দিয়েছে। সুভাষ কলোনিতে মিষ্টির দোকান, ওষুধের দোকান, মাছ মাংসের দোকান — সবই করে ফেলেছে ওরা। দিগন্তবিস্তৃত ফাঁকা মাঠে গড়ে তুলেছে গা ঘেঁষাঘেষি পাড়া।

সবুজগ্রামের ভদ্রলোকেরা ঐ পাড়াটাকে বলে দাসপাড়া, কারণ ও পাড়ার অধিকাংশ লোকের পদবিই দাস। ওরা নিজেরা অবশ্য পাড়ার নাম দিয়েছে সুভাষ কলোনি। যেভাবে এক মানুষ উঁচু আগাছা কেটে দেশভাগের পর সবুজগ্রামের পত্তন করেছিল রবীনের জ্যাঠা-কাকারা, ডেকে এনেছিল পরিজনদের, প্রায় সেভাবেই গড়ে উঠেছে সুভাষ কলোনি। মধ্যে অনেকগুলো বছর কেটে গেছে। দেশ আর ভাগ হয়নি কিন্তু মানুষ ভাগ হয়েই চলেছে। প্রাণ হাতে, মান হাতে কাঁটাতার পেরিয়ে, বিপদ ডিঙিয়ে মানুষের আসা তাই ফুরোচ্ছে না।

এদের ভাঙিয়ে দিব্যি ফুলে ফেঁপে উঠছে বলর ভাই নাটু।

“জমির দলিল বানিয়ে দেব। দাও টাকা।”

“রেশন কার্ড করিয়ে দেব। দাও টাকা।”

“ভোটার কার্ড করিয়ে দেব। দাও টাকা।”

যত লোক বাড়ছে ঐ পাড়ায় তত ভুঁড়ি বাড়ছে নাটুর, জেল্লা বাড়ছে ওদের পৈতৃক বাড়ির। সাতাত্তরে ছিল টালির চাল দেয়া বেড়ার ঘর, আর এই ২০০৮ এ — তিনতলা পাকা বাড়ি। বল আর নাটু দুজনেই কিন্তু মন দিয়ে পার্টি করে। কথাটা মনে পড়তেই রবীনের মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে “হারামজাদা”। কানের পাশে বেজে ওঠে “মাস্টারমশয় না? আমারে কিছু কইলেন?” অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে রবীন খেয়াল করেনি, নাপিত খোকন পাড়া থেকে বেরোচ্ছিল, শব্দটা তার কানে গেছে। রবীন জিভ কেটে তার পিঠে হাত বুলিয়ে বলে “এ মা, না না। তোমারে কিছু কই নাই।” সে “আইচ্ছা” বলে চলে যায়।

সুভাষ কলোনিতে রবীন এখন প্রতিদিন হয় সকালে নয় সন্ধ্যায় একবার আসে। মাধ্যমিকের আর হপ্তাখানেক বাকি। এ পাড়ার অনেক ছেলেমেয়ে রবীনদের স্কুলে পড়ে। তাদের কয়েকজন এবার মাধ্যমিক দিচ্ছে। ওদের উপর নজর রাখতেই আসা। এরা কেউ অসাধারণ নয়, আবার খারাপও নয়। একটু বুদ্ধি করে লেখাপড়া করলে সকলেই ফার্স্ট ডিভিশন পেতে পারে। রবীনদের স্কুলে প্রায় সবাই প্রথম প্রজন্মের ছাত্রছাত্রী; পাশ করলেই যথেষ্ট হয়। কোন বারেই জনা পাঁচেকের বেশি ফার্স্ট ডিভিশন পায় না। এ বারে যদি এই ছেলেমেয়েগুলো হতাশ না করে, তাহলে সংখ্যাটা দশ ছাড়াতে পারে। এরা যখন ক্লাস এইটে তখনই রবীন এটা ধরতে পেরেছিল। সেই থেকে ওদের পেছনে লেগে আছে।

এদের মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সুবিমল বলে ছেলেটা। অঙ্ক করে ভাল, হাতের লেখাটা পরিষ্কার। তবে সবচেয়ে ভাল বাংলায়। ইংরিজিতে একটু কাঁচা। তাই রবীন ওটা নিয়েই বেশি বসে ওর সাথে। টেস্টের পর থেকে পরীক্ষা নিতে নিতে এখন অনেকটা ভাল অবস্থায়। আসলে ছেলেটা খুব পরিশ্রমী, লেখাপড়ায় আগ্রহও আছে। রবীন ওকে বারবার বলে “দ্যাখ বাবা, অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করাচ্ছে বাপ-মা। ওদেশ থেকে এসেও তো এ পাড়ার অনেকে পাকা বাড়ি করেছে, তোর বাপ-মা পারেনি, কারণ লেখাপড়া একদম জানে না। সেই অন্য লোকের কাছে গায়ে গতরে খাটতে হচ্ছে, লাথি ঝাঁটা খেতে হচ্ছে। তুই যদি লেখাপড়া শিখে মানুষ হস, তাহলে তোকেও এই জিনিস করতে হবে না আর ওরাও অন্তত বুড়ো বয়সে একটু সুখের মুখ দেখতে পাবে। এক দাঁড়ি তোকে পেতেই হবে, বাবা। কোন উপায় নেই।”

একে একে ওদের সকলের বাড়িতেই যায় রবীন। শিউলি বলে মেয়েটারও লেখাপড়া করার ইচ্ছা খুব, কিন্তু ওর বাবা বিয়ে দিতে উঠে পড়ে লেগেছে। নেহাত রবীনকে সমীহ করে, নইলে দিয়েই দিত অ্যাদ্দিনে। বলেই দিয়েছে “আপনে কইতাছেন তাই মাধ্যমিক দিতে দিতাছি। পাশ করুক ফেল করুক, এগারো ক্লাশে আর ভর্তি করুম না। বারো ক্লাশ পাশ কইরা করব কী? সেই তো বিয়া দিতে অইব। অহন হাতে ভাল পাত্র আছে, দিয়া দিমু। খরচ কম অইব।”

খরচটা শিউলির বাবার কাছে একটা বিরাট ব্যাপার বটে। কারণ সে রাজমিস্তিরির যোগাড়ুর কাজ করে আর বউ রবীনদের পাড়ায় বাসন মাজে, ঘর ঝাঁট দেয়, মোছে। রবীন অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছিল যে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াশোনার খরচ এমন কিছু নয়। কিন্তু লোকটার বক্তব্য পড়াশোনার খরচ যা-ই হোক, এই পাত্র হাতছাড়া হলে পরে বেশি বয়সী মেয়ের বিয়ের খরচ যা হবে সেটা কে যোগাবে?

শিউলি মাঝে মাঝে পড়তে বসে কেঁদে ফ্যালে আর পড়া হবে না বলে। রবীন তখন মাথায় হাত বুলিয়ে বলে “পড়ে নে মা, শেষ কটা দিন মন দিয়ে পড়ে নে। জীবনের ধন কিছুই যাবে না ফেলা। কখনো না কখনো কাজে লাগবেই।”

থান রোড থেকে সুভাষ কলোনিতে ঢুকতে গেলে একটা কালভার্ট পেরোতে হয়। তলা দিয়ে হাই ড্রেন। অনেকদিন অব্দি ওখানে একটা নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো ছিল। এবারের শীতে ঢালাই করা স্ল্যাব বসে কলোনির লোকের বিপদসঙ্কুল যাওয়া আসার দিন শেষ হয়েছে। ঐটুকু কালভার্টটা করতে পঞ্চায়েতের বছর দশেক লেগে গেল। অথচ প্রধান বলরাম ওখান থেকেই জিতেছে। আসলে ও পাড়ার লোকেদের বল মানুষ বলেই মনে করে না। অনেককে কোন রাখঢাক না রেখেই বলেছে “আমি না থাকলে তোরা এখানে থাকতিস কী করে? যখন যেটা দরকার মনে করব, ঠিক করিয়ে দেব। এটা চাই, সেটা চাই করে আমার কাছে দৌড়ে আসবি না। আমার দিন রাত তোদের নিয়ে ভাবলে তো চলে না। অনেক কাজ আছে।”

এরকম ব্যবহার সত্ত্বেও ও পাড়ার মানুষগুলো আত্মবিক্রীত হয়ে আছে বল এবং তার পরিবারের কাছে। যে কোন ভোটের সময়ে বলর কথায় এই এলাকার যে কোন বুথে কাস্তে হাতুড়ি তারায় ছাপ মারতে চলে যায়। তার এলাকার চার-পাঁচটা বুথ থেকে পার্টিকে বিরাট লিড পাইয়ে দিয়ে জেলার কয়েকজন বড় নেতার চোখের মণি হয়ে উঠেছে বলরাম।

সুভাষ কলোনির লোকেরা ওর বিরুদ্ধে যাবেই বা কেন? জলে থেকে কেউ কুমিরের সাথে বিবাদ করে? তাছাড়া হঠাৎ টাকাপয়সার দরকার হলেই বা কার কাছে যাবে ওরা? সেই তো বলর ভাই নাটুর কাছে যেতে হবে। তাই বছরের পর বছর নড়বড়ে সাঁকোর উপর দিয়ে হাঁটতে হলেও সুভাষ কলোনি থেকে টুঁ শব্দ বেরোয় না।

সপ্তাহে একটা দিন সুভাষ কলোনির ছেলেমেয়েগুলোকে ওদেরই কারো বাড়িতে একসাথে বসিয়ে ইংরিজি পড়ায় রবীন। পড়া হয়, আরো নানা কথা হয় ওদের সাথে। পড়া শেষ হলে রবীন কোন একটা বিখ্যাত গল্প বলে ওদের। রবিনসন ক্রুশো, ট্রেজার আইল্যান্ড, দ্য ম্যান হু লাফস, ডঃ জেকিল এন্ড মিস্টার হাইড — এইসব। কিছু বাংলা গল্প পড়েও শুনিয়েছে। ইচ্ছাপূরণ, ছুটি, অভাগীর স্বর্গ, লালু ইত্যাদি। শুনতে ওরা সকলেই ভালবাসে। তবে শুধু সুবিমলেরই গল্পের বইয়ের নেশা ধরেছে। ওকে রবীন সাথে নিয়ে গিয়ে পাড়ার লাইব্রেরির মেম্বার করে দিয়েছে। ইদানীং ধমকে ধামকে পরীক্ষার আগে গল্পের বই পড়া বন্ধ করাতে হয়েছে। ও মেনে নিয়েছে ঠিকই কিন্তু বলে রেখেছে মাধ্যমিকের পর রবীনের বাড়ির রবীন্দ্র রচনাবলীর খণ্ডগুলো ওকে পড়তে দিতে হবে।

সেদিন সুবিমলদের বাড়িতেই বসা হয়েছিল। পড়াশোনা, গল্প শেষ করে বেরোতে নটা বেজে গেল। সাঁকোটা পেরিয়ে এসে থান রোডে উঠলেই রাস্তার ওধারে রবীনদের লোকাল কমিটির অফিস। তার সামনে এসেই মনটা খারাপ হয়ে গেল। সেদিন পূর্ণিমা। রবীন পরিষ্কার দেখতে পেল বাইরে টাঙানো লাল পতাকার উপরের দিকটা ছিঁড়ে ঝুলছে, কোনদিন পুরোটাই ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে যাবে। এমনিতেই ধুলোয় ধুলোয় পতাকাটা আর লাল নেই। কারো নজরেই পড়েনি ব্যাপারটা! দরজাটা খোলাই ছিল। রবীন দেখতে পেল জনা চারেক ডি ওয়াই এফ আই কর্মী মন দিয়ে হিন্দি সিনেমা দেখছে সদ্য কেনা টিভিতে।

পতাকাটা আস্ত থেকেই বা কী লাভ? ভাবতে ভাবতে বিড়ি ধরায় রবীন। তারপর হাঁটা দেয় বাড়ির দিকে।

*এই উপন্যাসের সমস্ত ঘটনা ও চরিত্র কাল্পনিক। কোন সত্যি ঘটনা বা জীবিত/মৃত ব্যক্তির সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। কিছু বাস্তব চরিত্রের নাম এসেছে কেবল সময়কাল বোঝাতে

ভাল লাগলে টাকা পাঠাতে পারেন:

Google Pay / Paytm / BHIM বা অন্য মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে journopratik@okhdfcbank কে

অথবা

নেট ব্যাঙ্কিং বা অন্য উপায়ে নিম্নলিখিত অ্যাকাউন্টে

Pratik Bandyopadhyay
A/c No. 10490957306
State Bank of India
Konnagar branch
IFSC: SBIN0002078

Published by

Pratik

Blogger and poet. Isn't that enough?

Leave a Reply